রবিবার গভীর রাত ভোলা জেলা মনপুরা উপজেলা দক্ষিণ সাকুচিয়া ৪ নং ওয়ার্ড এর ইউপি সদস্য মোহাম্মদ অহিদুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ নাহিদ শনিবার রাত আনুমানিক ১২:৩০ মিনিটের সময় নাহিদের ভোনের বাসা থেকে বাসায় যাওয়ার সময় বৈদ্যুতিক খুটির সাথে সজোড়ে গিয়ে আগাত লাগে। গ্রাম বাসিরা দৌড়ে এসে দেখে নাহিদ এর মাথায় এবং কপালে গুরুতরভাবে আঘাত পেয়েছে এই অবস্থা দেখে গ্রাম বাসিরা তাকে দ্রুত মনপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসাহলে এসময় তাকে মনপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডক্টর মোহাম্মদ তানিম হাসান তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। আঘাত ছিল মুখমণ্ডলে। মাথায় ছিলনা হেলমেট, হয়তো হেলমেট থাকলে মৃত্যু হতো না।
মনপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর অফিসার ইনচার্জ ডাক্তার মোহাম্মদ তানিম হাসান স্যার দেশ বুলেটিন পত্রিকা কে, বলেন, ‘মোটরসাইকেলের চালকদের বড় অংশ কিশোর ও যুবক। এদের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা প্রবল। কিশোর-যুবকরা বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালিয়ে নিজেরা দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হচ্ছে এবং অন্যদেরকে আক্রান্ত করছে।
তিনি বলেন, ‘মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার একটি বড় অংশ ঘটছে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ ও বাসের ধাক্কা, চাপা ও মুখোমুখি সংঘর্ষে। এসব দ্রুতগতির চালকদের অধিকাংশই অদক্ষ ও অসুস্থ। তাদের বেপরোয়া যানবাহন চালানোর কারণে যারা সাবধানে মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন তারাও দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহতের ঘটনাও বাড়ছে।’ ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার পরেও অনেকে বাইক কিনছেন। দুই-তিন বছর বাইক চালিয়ে এর পরে লাইসেন্স করেন। এ ছাড়া তরুণ বাইকাররা ওভার স্পিডে বাইক রাইড করে।
মোটরসাইকেল নিবন্ধনের আবেদনের সঙ্গে ক্রেতার ড্রাইভিং লাইসেন্স যুক্ত করার পরামর্শও দেন তিনি। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, যত বাইক সড়কে চলে, তার বেশির ভাগেরই নিবন্ধন নেই।ওভারস্পিড আর যথাযথ হেলমেট না পরা তিনি বলেন, ‘হেলমেটের ব্যবহার করে না, আবার অনেকে হেলমেট ব্যবহার করলেও ফুল ফেস হেলমেট ব্যবহার করে না। কিন্তু মোটরসাইকেলের জন্য নির্ধারিত ফুলফেস হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।