1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই: তথ্যমন্ত্রী উলশী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগাম জামিন পেলেন জামায়াতের এমপি আমির হামজা আর্থিক সংকটে পড়েছে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা!

ওসমানীনগরে পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা

জোবেদ হোসেন জিয়া
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৩৩৪ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের ওসমানীনগরে পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ওসমানীনগর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার বিকেলে উপজেলার তাজপুর বাজারে মিছিল শেষে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন ২০০৬ সালের রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবরের পথ ধরে আওয়ামীলীগ যে সন্ত্রাসী রাজনীতি শুরু করেছিল সেই অবৈধ পথ অবলম্বন করে দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা, ভোটাধিকারসহ মানুষের সব অধিকার কেড়ে নেয় তারা। তখন থেকে দেশকে রাজনীতিশূন্য করার প্রক্রিয়াও শুরু করে তারা। যা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। বক্তারা বলেন ২৮ অক্টোবর এইদিনে ঢাকার পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় লগি-বৈঠার তাণ্ডব চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা- কর্মীরা জামায়াত-শিবিরের ৬ নেতাকর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ক্ষমতায় আসার পর জামায়াতের শীর্ষ নেতাদেরকে নির্বিচারে হত্যা করেছে তারা। এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ বাংলার জনগণ ভুলতে পারেনি।আল্লাহ এর উত্তম ফায়সালাকারী তিনিই বিচার দিনের মালিক। পল্টন ট্রাজেডির রক্তঝরা ইতিহাসের স্মৃতিচারণ করে বক্তারা বলেন,যে মাটিতে আমার ভাইদের রক্ত ঝড়েছে, সুতরাং আল্লাহ চাইলে সেই মাটিতেই ইসলামের বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ।আলোচনা সভায় ওসমানীনগর উপজেলা জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ সোহরাব আলীর সভাপতিত্বে ও সহকারী সেক্রেটারী সৈয়দ নুরুল ইসলাম শাজাহানের পরিচালনায়, প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট জেলা (দক্ষিণ) জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম,
বিশেষ অতিথি ছিলেন, সিলেট জেলা (দক্ষিণ) জামায়াতে সহকারী সেক্রেটারি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইন,ওসমানীনগর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর রেজুয়ানুর রহমান চৌধুরী শাহিন, সেক্রেটারি আনহার আহমদ, সহকারী সেক্রেটারি সাফির আহমদ, উপজেলা শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি আব্দুল মোমিন, তাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মিজানুর রহমান, উছমানপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর সার্জেন্ট (অবঃ) শায়েস্তা মিয়া, উমরপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আমজাদ হোসেন সুমন, জামায়াত নেতা আব্দুল কাইয়ুম,শহিদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মিনার, এমদাদুল হক মিলন,জামাল আহমদ চৌধুরী প্রমূখ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com