1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনের শাসনই শেষ কথা নয়, অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী কাল থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

কাঁচা বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে শাক-সবজির দাম কমেছে

মোঃআহসান হাবীব, সদর উপজেলা প্রতিনিধি, লালমনিরহাট
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে
লালমনিরহাটে গোসালা বাজার সহ অন্যান্য কাচা বাজারে   সপ্তাহের ব্যবধানে শাকসবজির দাম কমেছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। এতে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে নিম্ন আয়ের মানুষরা। তবে বেড়েছে নতুন আলু, ভারতীয় পেঁয়াজ, টমেটো, গাজর ও দেশি মাছের দাম। এছাড়া অপরিবর্তিত আছে চিনি, চাল, ডাল, তেল, আলু, মাছ ও মাংসের দাম।
মঙ্গলবার  (২১ নভেম্বর) লালমনিরহাটের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা প্রতিকেজি বেগুন ৩০-৩৫ টাকা, মুলা ৩০-৩৫ টাকা, ফুলকপি ৪০-৪৫টাকা, বাঁধাকপি ৪০-৪৫ টাকা, শাক ৩০-৪০ টাকা, করলা ৪০-৫০টাকা, পটল ৪০-৪৫ টাকা, শিম ৪০-৪৫ টাকা, গাজর ৫০-৬০টাকা, কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতোই খুচরা বাজারে ৪৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচামরিচ ১২০-১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এক সপ্তাহ আগেও খুচরা প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হয়েছে ৫০-৬০ টাকা, ফুলকপি ৮০-১০০টাকা, বাঁধাকপি ৮০- ৯০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২৫০-৩০০ টাকা, মুলা ৫৫-৬০ টাকা, শাক ৫০-৬০ টাকা, আলু ৫৫-৬০টাকা, করলা ৮০-১০০ টাকা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com