1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোমনি জুট স্পিনার মিল চালু ও সকল পাওনা পরিশোধের দাবিতে শ্রমিক জনসভা ‘চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না’: রনি সৌদি আরবে পৌঁছেছে প্রথম হজ ফ্লাইট কুরুচিপূর্ণ শব্দের ব‍্যবহার ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান এবি পার্টির আঠারবাড়ী মহাশ্মশানে শ্মশান কালী পূজা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় যুবকের দ্বিতীয় বিয়ে, গ্রামবাসীর হস্তক্ষেপে সমাধান ১৭ই এপ্রিল পীরগঞ্জে গনহত্যা দিবস অনুষ্ঠিত ছাত্রকে বলাৎকারের মামলায় মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার ডি এম আবু হানিফ স্টাফ রিপোর্টার টাঙ্গাইল খাগড়াছড়িতে ছাত্র পরিষদের সদস্য নীতিশ চাকমা’র আত্মবলিদানের ৩৩ বছর আজ

কেন্দুয়ায় দুই বাংলার লোকশিল্পীদের মিলনমেলা, চারজনকে সম্মাননা

শামীম আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে
লোকসংগীতের উর্বরভূমি হাওর জেলা নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা। এ উপজেলার লোককবি ও শিল্পীদের সুখ্যাতি ছড়িয়ে আছে দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও। এসব লোকশিল্পীদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন উপজেলার দলপা ইউনিয়নের ইটাউতা গ্রামের প্রয়াত আব্দুল মজিদ তালুকদার। এই গুণীজনের সমাধি প্রাঙ্গণ ইটাউতা গ্রামে এবার অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দুই বাংলার (ভারত ও বাংলাদেশ) লোকশিল্পীদের এক মিলনমেলা।
উপমহাদেশের বরেণ্য লোকশিল্পীদের মধ্যে অন্যতম বাউল সাধক ও মরমী কবি প্রয়াত আব্দুল মজিদ তালুকদারের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলার ইটাউতা গ্রামে কবির সমাধি প্রাঙ্গণে গত শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে রাতব্যাপী এ মিলনমেলার আয়োজন করে আব্দুল মজিদ তালুকদার শিল্পী গোষ্ঠী ও আব্দুল মজিদ তালুকদার স্মৃতি পাঠাগার।
এতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট লোকশিল্পী মাস্টার বিকাশ বিশ্বাস, ধীরাজ ক্ষ্যাপা ও পাগল বিমল অংশ নেন এবং বাংলাদেশের লোকশিল্পীদের মধ্যে নেত্রকোনার উমেদ আলী ফকির, বাউল মুকুল সরকার, বাউল হবিল সরকার, বাউল ফকির চান, বাউল রাশিদসহ বেশ কয়েকজন অংশ নেন। এ মিলনমেলায় নেত্রকোনার লোকসাহিত্য গবেষক অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফাকে সম্মাননা স্মারক ও পশ্চিমবঙ্গের লোকসংগীত শিল্পী মাস্টার বিকাশ বিশ্বাস, ধীরাজ ক্ষ্যাপা ও পাগল বিমলকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মাজহারুল ইসলাম মোলায়েমের সভাপতিত্বে ও ছড়াকার রহমান জীবনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট লেখক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলাম। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন ভূইয়া, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান  সেলিনা বেগম সুমী, নেত্রকোনা উদীচীর সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান খান, লোকসংস্কৃতি গবেষক সঞ্জয় সরকার, রাখাল বিশ্বাস, কবি স্বাধীন চৌধুরী ও নেত্রকোনা বাউল সমিতির সভাপতি বাউল উমেদ আলী ফকির প্রমুখ।
পরে দুই বাংলার শিল্পীরা রাতব্যাপী লোকসংগীত পরিবেশন করেন। তাদের পরিবেশিত গান শোনে মুগ্ধ হন অনুষ্ঠানে উপস্থিত শত শত দর্শক-শ্রোতা।
এ বিষয়ে প্রয়াত আব্দুল মজিদ তালুকদারের ছেলে লোকসংস্কৃতি সংগ্রাহক, গবেষক ও লোকশিল্পী আবুল বাসার তালুকদার জানান, এবারই প্রথমবারের মতো দুই বাংলার শিল্পীদের মিলনমেলার আয়োজন করতে পেরে খুব ভালো লাগছে। কারণ আমার প্রয়াত বাবা (আব্দুল মজিদ তালুকদার, জন্ম: ১৮৯৮ সালের ৫ জানুয়ারি, মৃত্যু: ১৯৮৮ সালের ২৯ জুন) অলইন্ডিয়া রেডিও এবং গ্রামোফোনে অসংখ্য গান করেছেন। তার লেখা গানগুলো বাংলাদেশের শিল্পী ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীরা করছেন। এরকম আয়োজন প্রতি বছরই অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com