1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

জামায়াত ও এনসিপি আমিরের আসনে ছাড় দিয়েছে বিএনপি : তারেক

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১/১১ ঘটনার অন্যতম উসকানিদাতা বলে দাবি করেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। তার প্রশ্ন, ড. ইউনূসের ১/১১-এর ষড়যন্ত্র, অবৈধ বিদেশি চুক্তি, কর ফাঁকি আর অসংখ্য অবৈধ সুবিধাগ্রহণের বিষয়ে ন্যায় বিচার কি পাওয়া যাবে?

বুধবার (১ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন প্রশ্ন তোলেন মো. তারেক রহমান। জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের আসন বিএনপি ছাড় দিয়েছে, এটি দেশের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে বলে দাবি তার।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘১/১১ ঘটনার অন্যতম উসকানিদাতা ড. ইউনূস। যখন দেখছে অল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব নিতে হবে তখন দায়িত্ব নেননি। ২৪-এ এসে স্বপ্ন ছিল ১০ বছর ক্ষমতায় থাকবে, অন্তত ২৯ সাল পর্যন্ত যেন থাকতে পারে।’ অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন আদায় করতে রাজনৈতিক দলগুলোর ঘাম ছুটেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে আর বিএনপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলে বুঝতেন জামায়াত-এনসিপি কয়টা আসন পায়।

এ দেশের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে বিএনপি ছাড় দিয়েছে জামায়াত আমির ও এনসিপির আমিরের আসনে।’ এনসিপি-জামায়াত ও সাবেক এক উপদেষ্টার বক্তব্য টেনে মো. তারেক বলেন, ‘নষ্ট পাটোয়ারীকে দিয়ে বলিয়েছিল, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে না। ভালো হবে না মাসুদ জামায়াতের প্রোগ্রামে বলেছিল নির্বাচন হতে দেবে না। নায়িকা উপদেষ্টা বলেছিল, তারা তো এক দলের কাছ থেকে অন্য দলের কাছে ক্ষমতা দিতে এখানে দায়িত্ব নেয় নাই।

জমিদারের নাতি বলেছিল, ইউনূসকে ৫ বছর দেখার আকাঙ্ক্ষা তার। এসব কথা ড. ইউনূস পোলাপানকে দিয়ে বলিয়েছিল বিভিন্ন সময়।’ আমজনতার দলের এই নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের যে জাল এঁকেছিল রাজাকার ও রাজাকার শাবকরা। তা জনগণের চেষ্টায় ছিন্নভিন্ন হয়েছে।’

ড. ইউনূসের ১/১১-এর ষড়যন্ত্র, অবৈধ বিদেশি চুক্তি, কর ফাঁকি আর অসংখ্য অবৈধ সুবিধাগ্রহণের বিষয়ে ন্যায় বিচার কি পাওয়া যাবে? এমন প্রশ্ন করেন তারেক।

তিনি বলেন, ‘অন্তত, হামের টিকা জালিয়াতিতে শিশু মৃত্যুর জন্য ড. ইউনূস ও তার ঘনিষ্ঠ নুরজাহানকে আইনের আওতায় আনতে হবে।’

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com