1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

স্পিকারের ‘দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, মিস্টার আবদুল্লাহ’ নিয়ে মুখ খুললেন হাসনাত

Desk report
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদে স্পিকারে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের ‘দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার’ মন্তব্য নিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নিজের ফেসবুক পেজে লাইভে এসে বক্তব্য দেন হাসনাত। তিনি অভিযোগ করেন, সংসদে বিরোধী দলের সদস্যদের যথেষ্ট সময় দেওয়া হয় না।

হাসনাত বলেন, আমাদেরকে এই সংসদে কথা বলতে দেওয়া হয় না। সালাউদ্দিন সাহেব ৪৫ মিনিট কথা বলেন, আর আমাকে দেওয়া হয় দুই মিনিট। একই বিষয়ে আমি যখন কথা বলতে চাই, তখন আমাকে সীমিত সময় দেওয়া হয়। মানবাধিকার কমিশন নিয়ে আমাকে মাত্র দুই মিনিট সময় দেওয়া হয়েছে, অথচ এই বিষয়ে সালাউদ্দিন সাহেব ৪০ মিনিট কথা বলেছেন। সুপ্রিম কোর্টের সচিবালয় নিয়েও একইভাবে তাদেরকে দীর্ঘ সময় দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একই টপিকে একজন ৪০–৪৫ মিনিট কথা বলবেন, আর আমি কথা বলব দুই মিনিট এটা অযৌক্তিক। এই দুই মিনিটের মধ্যে যদি তারা কোনো ভুল বা অযৌক্তিক কথা বলেন, সেটার জবাব দেওয়ার সুযোগও আমাদের দেওয়া হয় না। সময় চাইলে আবার বলা হয়, ‘দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, ইটস পার্লামেন্ট’। এটা খুবই অন্যায্য। আমরা এই বৈষম্যের বিরোধিতা করেছিলাম বলেই আজ এসব কথা বলা হচ্ছে।

এর আগে, গত শুক্রবার ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল’ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সময় সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ নিজের আসন থেকে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান এবং হইচই করেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে গিয়ে স্পিকার ওই মন্তব্য করেন।

দুই পক্ষের বিতর্কের মাঝামাঝিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদও বিরোধী দলকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি অতীতের সংসদ ও বর্তমান সংসদের তুলনা করেন। অতীতের তুলনায় বর্তমান সংসদকে খুবই সহযোগিতামূলক, প্রাণবন্ত ও কার্যকর বলেও অভিহিত করেন। স্পিকারের বক্তব্যের সময় জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারির নেতা ও এনিসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ নিজ আসন থেকে দাঁড়িয়ে সরকারি দলের ভূমিকার প্রতিবাদ জানান, হইচই করতে থাকেন।

এ সময় স্পিকার হাসনাত আবদুল্লাহর উদ্দেশে বলেন, ‘এত অসহিষ্ণু হলে চলবে না মিস্টার আবদুল্লাহ। দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ পার্লামেন্ট (এটা শাহবাগ চত্বর নয়, এটা সংসদ)। এখানে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে, শুনতে হবে।’

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com