1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোমনি জুট স্পিনার মিল চালু ও সকল পাওনা পরিশোধের দাবিতে শ্রমিক জনসভা ‘চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না’: রনি সৌদি আরবে পৌঁছেছে প্রথম হজ ফ্লাইট কুরুচিপূর্ণ শব্দের ব‍্যবহার ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান এবি পার্টির আঠারবাড়ী মহাশ্মশানে শ্মশান কালী পূজা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় যুবকের দ্বিতীয় বিয়ে, গ্রামবাসীর হস্তক্ষেপে সমাধান ১৭ই এপ্রিল পীরগঞ্জে গনহত্যা দিবস অনুষ্ঠিত ছাত্রকে বলাৎকারের মামলায় মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার ডি এম আবু হানিফ স্টাফ রিপোর্টার টাঙ্গাইল খাগড়াছড়িতে ছাত্র পরিষদের সদস্য নীতিশ চাকমা’র আত্মবলিদানের ৩৩ বছর আজ

বরিশালের নৌ পুলিশের অভিযান

বাদশা
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ মার্চ, ২০২৪
  • ১২৩১ বার পড়া হয়েছে

বরিশাল অঞ্চলের নৌপুলিশের পৃথক অভিযানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল সহ মোট ৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল অঞ্চলের নৌপুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির।০৭ মার্চ বৃহস্পতিবার বরিশালের কীর্তনখোলা , কালা বদর, আড়িয়াল খাঁ, মেঘনা ও তেতুলিয়া সহ বিভিন্ন নদীতে পৃথকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বরিশাল অঞ্চলের নৌ-পুলিশের একাধিক ইউনিট পৃথক অভিযান চালিয়ে ৯৭০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও নদীতে পাতানো অবস্থায় ১১ লক্ষ ৮০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল সহ ৪৪ জনকে আটক করেছে। এছাড়া চৌত্রিশটি মোবাইল কোর্ট ও মৎস আইনে মামলা হয় বলে জানা যায়।
বরিশাল অঞ্চলের পুলিশ সুপার কফিল উদ্দিন এর নির্দেশনায় নৌ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন। বরিশাল অঞ্চলের নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার কফিল উদ্দিন জানান, বরিশালের কীর্তনখোলা,কালা বদর, আড়িয়াল খাঁ, মেঘনা ও তেতুলিয়া সহ বিভিন্ন নদীতে নৌপুলিশ পৃথক অভিযান চালায়। এসময় বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল ও মাছ সহ মোট ৪৪ জনকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ইউএনও এবং মৎস্য কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে অবৈধ কারেন্ট জাল গুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com