1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

নতুন ভবন পাচ্ছে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

বাদশা
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪
  • ১৪৬৪ বার পড়া হয়েছে

বরিশাল বিভাগের সবচেয়ে বড় হাসপাতাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ৫৫ বছর আগে নির্মাণ করা এ হাসপাতালের পুরানো ভবন জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় নতুন ভবন তৈরি করা জরুরী হয়ে পড়েছে অনেক আগেই।

হাসপাতালটির প্রতিষ্ঠাকালীন ডেন্টাল বিভাগের প্রধান ডা. সৈয়দ হাবিবুর রহমান স্যার বলেন, ‘শুরু থেকে আজ পর্যন্ত এর নির্মাণ, রক্ষনাবেক্ষণ এবং মেরামত কোনো কাজেই সন্তুষ্টি পাইনি। এর ফলে অবধারিত যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তাতে নতুন ভবনের একান্তই দরকার হয়ে পড়েছে।’

ষাটের দশকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। হাসপাতালটি চালু হয় ১৯৬৮ সালে। ৫ তলা এই ভবনে প্রথমে আড়াইশ শয্যা, পরে কোন প্রকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ছাড়াই ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। সর্বশেষ ভবনটি ১ হাজার শয্যায় উন্নীত হয়েছে। নামে এক হাজার শয্যা হলেও প্রতিদিন গড়ে প্রায় দুই হাজার রোগী ভর্তি থাকছে এখানে। গত ৫৫ বছরে ভবনটিতে কিছু মেরামত কাজ হলেও পানি, বিদ্যুৎ ও পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা রয়ে গেছে আগের মতই।ফলে তা নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. মোখলেসুর রহমান স্যার বলেন ‘চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের গায়ে পলেস্তরা খসে পড়ছে। চিকিৎসার কোনো রকম পরিবেশ এখানে নেই।’

অবশেষে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেয়েছে ২০ তলা ভবন তৈরির একটি প্রস্তাব। এটি বাস্তবে রূপ পেলে একসাথে ৩০ হাজার রোগীকে সেবা দেওয়া যাবে বলে মনে করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com