1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান ঝড়ে নারকেল গাছ ভেঙে স্কুলে, আহত একাধিক শিক্ষার্থী ধান কাটার মৌসুমে বৃষ্টির হানা, বিপাকে নবাবগঞ্জের কৃষক কাঠালিয়ায় বালুবোঝাই ট্রলি থেকে ছিটকে চালকের মৃত্যু কুড়িগ্রামে মাইক্রোবাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১১

মান্দায় স্বতন্ত্র প্রাথীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুর

এনামুল হক উপজেলা প্রতিনিধি মান্দা নওগাঁ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২১৬ বার পড়া হয়েছে

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁর মান্দায় নৌকাপ্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম ব্রহানী সুলতান মামুদ গামার (ট্রাক প্রতীক) নির্বাচনী অফিস ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগ মাথায় হেলমেট লাগিয়ে ও লাঠিসোটা নিয়ে ফিল্মিষ্টাইলে এ হামলা চালায় নৌকা প্রার্থীর ৩০-৩৫জন নেতাকর্মী।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার মৈনম বাজারে হামলা ও ভাঙচুরের এ ঘটনা ঘটে। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী গামার তিন কর্মী-সমর্থক আহত হন। তাদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন আলাম সরদার (৪৫), সামসুল ইসলাম ওরফে সোনামুল (৫০) ও এবিএম হাসান রিপু (৫৫)। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এলাকার কয়েকশ বিক্ষুব্ধ নারী-পুরুষ মৈনম-ভোলাবাজার রাস্তা অবরোধ করে রাখে। এমন সংবাদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্রহানী সুলতান গামা প্রচারণা সংক্ষিপ্ত করে এলাকায় ফিরে নেতা-কর্মীদের শান্ত করলে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম ব্রহানী সুলতান মাবুদ গামা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিনই কোনো না কোনো এলাকায় আমার কর্মী-সমর্থকদের মারধর করছে নৌকা প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা।

এ বিষয়ে একাধিক অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন। স্বতন্ত্র প্রার্থী গামা আরও বলেন, শনিবার পরিকল্পিতভাবে আমার নির্বাচনী কার্যালয় ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে। স্থানীয় যুবলীগনেতা আল-আমিন রানা, আশিক সরফরাজ, জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে নৌকা প্রার্থীর অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী এ হামলায় অংশ নেয়। অভিযোগের বিষয়ে মান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন মÐল বলেন, ‘নৌকার সমর্থকেরা আচরণবিধি মেনে সম্পূর্ন শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী গামার নির্বাচনী অফিস ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা- ভাঙচুরের বিষয়টি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারছি না।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী গামার নির্বাচনী অফিস ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com