1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

আমতলীসহ উপকূলে ক্রয় ক্ষমতার বাইরে ইলিশ

মো. আবদুর রহমান
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৩৯১ বার পড়া হয়েছে

বরগুনার আমতলীসহ উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন হাটবাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি থাকলেও দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও কমেনি দাম। ইলিশের যখন আকাল ছিল তখন যে দরে বিক্রি হয়েছে এখন সরবরাহ পর্যাপ্ত হলেও আগের দরেই বিক্রি করা হচ্ছে। ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়লে দাম কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা।মঙ্গলবার (১ অক্টোবার) আমতলী মাছ বাজার, তালতলী ফকির হাট ও মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিগত অনেকদিনের চেয়ে গত ২-৩ দিনে ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে। বড় সাইজের ইলিশ কম ধরা পরলেও মাঝারি ও ঝাটকা ইলিশ বেশি পাওয় যাচ্ছে।

ট্রলার মালিক ও জেলেরা জানান, অবরোধ শেষ হওয়ার পরে যখন সমুদ্রে মাছ ধরতে যাবে ঠিক তখনই জেলেদের রোজগারের পথে প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাড়াবে আবহাওয়া।উপকূলের বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৩৫ হাজার টাকা, ১ কেজি বা তার উপরের ওজনের ইলিশ ৭২ হাজার টাকা মন দরে বিক্রি হচ্ছে ।তালতলীর ফকিরহাট বাজারের মৎস্য আড়ৎদাররা জানান, সামুদ্রিক ইলিশ ৫০০ গ্রাম থেকে ৬০০ গ্রামের প্রতি ৫০ থেকে ৫২ হাজার, ৭০০ গ্রাম ওজনের প্রতি মন ৫২ থেকে ৫৪ হাজার টাকা, এছাড়াও সাইজ, ওজন ও ধরা পরা ইলিশের পরিমানের উপর দাম উঠানামা করে।

আমতলী মাছ বাজারে ৫০০-৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি-কেজি ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা, ৮০০ গ্রাম থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের প্রতি-কেজি ইলিশ ১৫০০ টাকা থেকে ১৭০০টাকা, ১কেজি বা তার উপরের প্রতি-কেজি ওজন অনুসারে ১৮০০ টাকা ২২৫০ টাকা ধরে বিক্রি হচ্ছে। এই দরে ইলিশ ক্রয় করা আমতলীসহ উপকূলের মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত বা দরিদ্র মানুষের পক্ষে সম্ভব নয় ।মাছ বিক্রেতারা জানান, এতদিন তো মাছ পাই নাই। গত দুইদিন ধরে মোটামুটি ভালোই ইলিশ পাইছি, দামও ভালো আছে। মাছের সরবরাহ বেশি দেখে মাছ কিনতে আসা শ্রিমিক নজরুল জানান, ইলিশের যে দাম আমাদেও পক্ষে ক্রয় করা সম্ভব নয়।আমতলী মাছ বাজারের মৎস্য ব্যবসায়ী নুর আলম বলেন, গত ২ তিন দিন মাছ বাজারে ইলিশ বেশি পরিমানে বাজারজাত হয়েছে। তবে চাহিদা থাকায় দাম একটু বেশি। চাহিদা বেশি থাকায় দাম একটু বেশি।আমতলী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তন্ময় কুমার দাস বলেন, বাজারের মূল্য নির্ধারণের জন্য আমাদের একটি কমিটি রয়েছে। তারাই মূল্য নির্ধারণ করবেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com