1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টার এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’: ঝুঁকিতে চিকিৎসক-নার্স, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। মানিকগেঞ্জ নব নিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে হরিরামপুর প্রেসক্লাবের মত বিনিময়

আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

শামীম আহমেদ, বিশেষ প্রতিনিধি, নেত্রকোনা ৩
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৩৭১ বার পড়া হয়েছে
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় আমন ধানের ফসলের মাঠ যেন প্রকৃতির সোনালি রঙে সেজেছে। মৃদু মন্দ বাতাসে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। প্রতিটি বাড়ি বাড়ি চলছে নতুন ধান ঘরে তোলার নবান্ন উৎসবের প্রস্তুতি। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর আমন মৌসুমে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ২০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও অর্জিত হয়েছে আরও বেশি। এর মধ্যে অতিবৃষ্টি ও বন্যায় এক হাজার ৫০০ হেক্টরের মত আমন ধান পানিতে তলিয়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে আর ২ হাজার হেক্টর আমন ধান আংশিক নষ্ট হয়েছে।

আমন ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে হেক্টর প্রতি ৪.৫-৫.০০ মে.টন। কৃষি অফিসের ব্যাপক তৎপরতা, কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রম, বীজ ও সার প্রনোদনা, অনুকূল আবহাওয়া, সার, কীটনাশকসহ বাজারে কৃষি উপকরণের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও সেচের জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের ব‍্যবস্থাপনা এবং আবাদ উপযোগী পরিবেশ ইত্যাদি বিবেচনায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষি বিভাগ।

উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের কৃষক নাজমুল হক বলেন, আমি তিন বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছি। আমন ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে আগাম জাতের ধান কাটা ও মাড়াই শেষ হয়েছে। আশা করছি ফলন ভাল হবে। যদিও অতি বৃষ্টিতে অনেক ক্ষতি হয়েছে।

খালিজুরা গ্রামের কৃষক শহিদ মিয়া হতাশার সুরে বলেন, খরচের তুলনায় বাজারে ধানের দাম নেই। গত বছর প্রতি মণ আমন ধান বিক্রি হয়েছে ১২০০-১৩০০ টাকা, আর এবছর ১০০০-১০৫০ টাকা।. ইরিবোরো মৌসুমে ও ধানের দাম পাওয়া যায়নি। বাজারে সার, বীজ, কীটনাশক সহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য আমন ধানের ভালে দাম না পেলে কৃষকের মরণ দশা হবে।

কেন্দুয়া উপজেলা কৃষি অফিসার শারমিন সুলতানা বলেন, উপজেলায় ২০ হাজার হেক্টরের অধিক জমিতে আমন চাষাবাদ হয়েছে। এর মধ্যে অতিবৃষ্টি ও বন্যায় ৪০০০ হেক্টরের মত জমির আমন ধান পানিতে তলিয়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। প্রনোদনা হিসাবে কৃষকদের মাঝে সার, বীজ প্রদান করা হয়েছে। আবহাওয়া ভালো, রোগ-বালাই, পোকামাকড় নেই ও সময় মতো বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে আমন ধানের ফলন ভালো হয়েছে। প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না দেখা দিলে আমন ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com