1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২২ আসামী গ্রেফতার জামালপুরে জামিন নিতে এসে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ আ’লীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে কুমিল্লার হোমনায় গৃহবধূকে গণধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল জনতা: ধর্ষণকারিদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

আম পরিবহনে বিশেষ ট্রেন ‘ম্যাংগো স্পেশাল’

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০
  • ৪১৮ বার পড়া হয়েছে

বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চল থেকে স্বল্প খরচে ঢাকা রুটে আম পরিবহনের জন্য বিশেষ ট্রেন চালু করা হচ্ছে। শুক্রবার (৫ জুন) থেকে ‘ম্যাংগো স্পেশাল’ নামের ট্রেনে সপ্তাহে প্রতিদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী হয়ে ঢাকায় পণ্য পরিবহন করা হবে। ট্রেনটিতে ছয়টি ওয়াগন থাকছে। এতে আম ছাড়াও শাকসবজিসহ যেকোনও পার্সেলযোগ্য মালামাল বহন করা যাবে। প্রতিকেজি পণ্য বহনের জন্য সর্বোচ্চ ভাড়া রাখা হবে এক টাকা ৭০ পয়সা। এবারই প্রথম রেলপথে এভাবে আম পরিবহন করা হচ্ছে।

স্পেশাল ট্রেনটি পার্সেল লোড করবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, আমনুরা, কাকনহাট, রাজশাহী, সারদা, আড়ানী, আব্দুলপুর স্টেশনে এবং আমসহ অন্যান্য পণ্য আনলোড করবে টাঙ্গাইল, মির্জাপুর, কালিয়াকৈর, জয়দেবপুর, টঙ্গী, ঢাকা বিমানবন্দর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, তেজগাঁও এবং কমলাপুর রেল স্টেশনে।

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেল স্টেশন মাস্টার মো. মুনিরুজ্জামান জানান, প্রথমবারের ট্রেনে আম পরিবহনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনটি প্রতিদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে বিকাল ৪টায় এবং রাজশাহী থেকে বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। ঢাকা পৌঁছাবে রাত ১টায়। ঢাকা থেকে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে রাত ২টা ১৫ মিনিটে।

তিনি আরও জানান, করোনার এই সময়ে যতদিন লাইনে নিয়মিত ট্রেনের চাপ কম থাকবে ততদিন এই স্পেশাল ট্রেনটি চালু থাকবে।

প্রসঙ্গত, আম সংগ্রহ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ নিয়ে ২০ মে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, এবার করোনা পরিস্থিতিতে আম পরিবহনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্রেন চলবে।

এর আগে করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আম, লিচু ও অন্যান্য মৌসুমি ফল বিপণন এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের বিষয়ে ১৬ মে ভিডিও কনফারেন্সে চাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। সেদিনই ট্রেনে আম পরিবহনের কথা ওঠে। এরপর রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পশ্চিম রেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। এরপরেই এই ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com