1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রেশম গোটা বাংলাদেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মাগুরার আমিনুর রহমান কলেজে সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন বগুড়ায় সয়াবিন তেল অধিক মূল্য বিক্রির অপরাধে মন্ডল ট্রেডার্সসহ ছয় বিক্রিতার জরিমান ঝিনাইদহে তীব্র জ্বালানি সংকট: চরম ভোগান্তিতে পেশাজীবীরা, সমাধানে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা ধামইরহাটে কেজি স্কুলের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার দিলেন- এমপি এনামুল হক নেত্রকোনা সড়ক পরিবহন বাস মালিক সমিতির নবযাত্রা ধামইরহাটে সমতলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সুফলভোগীদের মাঝে ছাগল বিতরণ বেরোবিতে ১২ এপ্রিল থেকে শুরু শহীদ আবু সাঈদ বইমেলা-২০২৬ নবাবগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়ন ও কৃষি প্রণোদনা উপকরণ বিতরণ মাদক ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে মন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি নেত্রকোনায় আধুনিক টার্মিনাল ও উন্নত যাত্রীসেবার প্রতিশ্রুতি

কয়েক বছর ধরে বন্ধ পাথর কোয়ারি: হতাশা আর অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে শ্রমিক-ব্যবসায়ীদের

আব্দুল শুক্কুর
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০০ বার পড়া হয়েছে
সিলেটের লাখো মানুষের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম পাথর কোয়ারিগুলো প্রায় ৮ বছরের অথিক সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। পাথর কোয়ারিগুলো বন্ধ থাকায় গোয়াইনঘাট উপজেলার ব্যবসায়ী ও সাধারণ শ্রমিকরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। মানবেতর জীবন-যাপন করছেন তাঁরা। কয়েক বছর ধরে মানুষের কর্মসংস্থানের পথ পাথর কোয়ারিগুলো বন্ধ থাকার ফলে এখানকার অর্থনৈতিক অবস্থায় চরম সংকট দেখা দিয়েছে।
শ্রমিকরা জানান, আগে প্রতিদিন কাজ করে সংসার চালাতে পারলেও এখন তারা বেকার জীবনযাপন করছেন।
বিশেষ করে গেল ঈদুল ফিতরেও কাজের কোনো সুযোগ না থাকায় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের ঈদের আনন্দ ছিল অনেকটাই ম্লান। অনেক পরিবার স্বাভাবিকভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারেননি। নতুন কাপড় কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতেও হিমশিম খেতে হয়েছে তাদের।
অন্যদিকে, পাথর ব্যবসার সাথে জড়িত ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন বড় ধরনের লোকসানে। পাথর, বালু পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয় ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বন্ধ থাকায় তাদের ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যাংক ঋণ ও দেনার চাপে অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল বলছেন, পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না থাকায় এ অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তারা দ্রুত একটি টেকসই সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী বলেন, পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে বালু-পাথর উত্তোলন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলে একদিকে যেমন শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে স্থানীয় অর্থনীতিও আবার সচল হয়ে উঠবে।
জাফলং, বিছনাকান্দি, ভোলাগঞ্জ, লোভাছড়া, শ্রীপুরসহ পাথর কোয়ারি থেকে বালু-পাথর উত্তোলন, সংগ্রহ ও সরবরাহ করে অত্রাঞ্চলসহ দেশের প্রায় কয়েক লাখ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। এগুলো বন্ধ থাকার ফলে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়েছেন। একই সাথে বেকার হয়ে পড়েছে প্রায় লক্ষাধিক শ্রমিক। বর্তমানে ওই শ্রমিকগুলো অনাহারে আর অর্ধাহারে দিনযাপন করছে।
দীর্ঘদিন থেকে পাথর কোয়ারি বন্ধ থাকায় পরিবহন খাত থেকে শুরু করে পাথর লোড-আনলোডের সাথে জড়িত বেলচা ও বারকি শ্রমিক, ট্রাক-ট্রাক্টর ও স্টোন ক্রাশার শ্রমিকদের মাঝেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অধিকাংশ ট্রাক মালিক ব্যাংক ঋণ, আবার কেউ কেউ কোম্পানীগুলোর কাছ থেকে কিস্তিতে মূল্য পরিশোধের শর্তে গাড়ী কিনছিলেন। কিন্তু কোয়ারি বন্ধ থাকার ফলে ট্রাক মালিকরা কিস্তি পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছেন।
ব্যবসায়ীদের দাবি, দীর্ঘ ৮ বছরেরও অধিক সময় ধরে পাথর কোয়ারি বন্ধ থাকায় বেকারত্ব যেন দিনদিন বেড়ে চলছে। আর অসহায় হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। হতাশা যেন পিছু ছাড়ছেনা না তাঁদের। ব্যবসায়ীরা ব্যাংক ঋন মাথায় নিয়ে অস্থির হয়ে পড়ছেন।
এছাড়াও কর্মসংস্থান না থাকায় অনেকে বিভিন্ন অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। দ্রুত পাথর কোয়ারি খুলে দিলে চোরাচালানও অনেকটাই কমে আসবে বলে আশাবাদী।
একাধিক শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন থেকে পাথর কোয়ারী খুলে দেয়ার দাবিতে তারা মানববন্ধন, হরতাল, অবরোধ, পরিবহন ধর্মঘট, সভা-সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করলেও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। তাই লক্ষাধিক শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে বর্তমান সরকারের প্রতি জোড়ালো আহ্বান জানান তারা।
বালু ব্যবসায়ী হারুন মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন থেকে কোয়ারি বন্ধের ফলে চরম আর্থিক সংকটে পড়ছি। ব্যাংক থেকে ঋন নিয়ে পরিশোধ করতে না পেরে এখন জরাজীর্ণ অবস্থা।
বল্লাঘাট বার্কি ও বালু চিপ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দুলু জানান, দীর্ঘদিন থেকে পাথর কোয়ারী বন্ধ থাকায় আমাদের খেটে খাওয়া শ্রমিকদের কষ্ট আর যন্ত্রনা দেখার কেউ নেই। মানবেতর জীবন যাপন করছে সিলেটের সবকটি পাথর কোয়ারীর খেটে খাওয়া লাখ লাখ শ্রমিক।
আশা করবো বর্তমান সরকার শ্রমিকদের কথা বিবেচনায় এনে সনাতন পদ্ধতিতে আবারও সবকটি পাথর কোয়ারী খুলে দিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন।
এদিকে, পাথর কোয়ারি সমুহের উৎসমুখের পাথর অপসারণ না করায় প্রতি বছর ভারতের ঢলে নতুন করে পাথরের স্তুপ জমছে। দিন দিন বেড়ে চলেছে উজান থেকে নেমে আসা এসব পাথরের স্তুপ। এতে করে প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে নদ নদীর সাধারণ পানি প্রবাহে দেখা দিচ্ছে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা। এতে করে স্থানীয় এসব নদ-নদীর নাব্যতা হ্রাস পেয়েছে।
জাফলং বালু ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকায় সবকটি কোয়ারিতে বহুগুণ বেড়েছে পাথরের পরিমাণ। এতে শ্রমিকদের কস্ট যেন দেখার কেউ নাই। আশা করবো খেটে খাওয়া শ্রমিকদের কথা বিবেচনা করে দ্রুত কর্মসংস্থান ফিরিয়ে দেয়া হোক।
জানা যায়, ২০১৪ সালে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবীদ সমিতির (বেলা) দায়ের করা একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে সিলেটের পাথর কোয়ারিগুলোয় যন্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেন উচ্চ আদালত। তবে অপরিকল্পিতভাবে ও যন্ত্রের সাহায্যে পাথর তোলা অব্যাহত থাকায় ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর সিলেটের জাফলং, ভোলাগঞ্জ, শাহ আরেফিন টিলা, বিছনাকান্দি ও লোভছড়া কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলন নিষিদ্ধ করে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

নলডাঙ্গায় ২ দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন নাটোরের নলডাঙ্গায় ৪৭ তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে ২ দিনব্যাপি বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ মেলায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও মেধার পরিচয় তুলে ধরে। মেলায় বিভিন্ন স্টলে শিক্ষার্থীদের তৈরি বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবন প্রদর্শন করা হয় যা দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে। এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বুধবার ( ৮ এপ্রিল) উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তত্বাবধানে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরের পৃষ্ঠপোষকতায় এ মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান চর্চা ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই ধরনের মেলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনে চিন্তা ও কাজের বিকাশ ঘটাতে পারবে। যদি তাদেরকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন ও এ কাজে উৎসাহ দেওয়া যায়। তাহলে তারাই দেশের একদিন শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে। ফলে এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান চর্চার আগ্রহ বাড়াতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাধারায় এগিয়ে যেতে হবে। বিজ্ঞান ছাড়া একটি দেশের সফলতা আসতে পারেনা। যারা সফল হয়েছে তারা বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাধারা থেকেই সফল হয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আল এমরান খাঁন এর সভাপতিত্বে এ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, মোঃ আশিকুর রহমান ( ভূমি), কৃষি অফিসার মোঃ সবুজ আলী, প্রকৌশলী মোঃ হারুনুর রশিদ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইদুর রহমান, সমাজ সেবা অফিসার মোঃ সুমন সরকার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম বুলবুল সহ প্রমূখ

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com