কেন্দুয়া প্রেসক্লাব সভাপতি মো: সেকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নেত্রকোণা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “জালাল উদ্দিন খাঁ আমাদের নেত্রকোণা তথা সারা দেশের গর্ব ও অহংকার। কেন্দুয়ার লোকজ সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রসারে এবং গুণীজনদের স্মৃতি ধরে রাখতে জাতীয় সংসদে কেন্দুয়ায় একটি সাহিত্য একাডেমি ও শিল্পকলা একাডেমি স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “জালাল উদ্দিন খাঁ ছাড়াও এ অঞ্চলের আরও বহু কালজয়ী গুণী শিল্পী ও গবেষক রয়েছেন—যেমন আব্দুল মজিদ তালুকদার, কবি রওশন ইজদানী, বাউল কবি দীন শরৎ, ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে এবং লোকসাহিত্যিক সিরাজ উদ্দিন কাশিমপুরী। সংস্কৃতি ও সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁদের রাষ্ট্রীয় পদকে ভূষিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।”
কবি ও চারণ সাংবাদিক সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন:
স্মরণসভায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কবি জুনাইদুল রহমান মারুফ কবিতা আবৃত্তি করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করেন। আলোচনা সভা শেষে স্থানীয় ও আমন্ত্রিত শিল্পীরা রাত ৯টা পর্যন্ত বাউল জালাল উদ্দিন খাঁ রচিত কালজয়ী গানগুলো পরিবেশন করেন।
অন্যদিকে, প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে জালাল উদ্দিন খাঁ’র জন্মভিটা ‘সিংহের গাঁও’ গ্রামের সমাধি প্রাঙ্গণেও দেশ-বিদেশ থেকে আসা জালাল-ভক্তরা সারারাতব্যাপী বাউল গান পরিবেশন করেন।