1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

কেন্দুয়া বিশৃংখলা এড়াতে দুটি মাঠ বদলিয়ে অবশেষে তৃতীয় মাঠে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবলের শান্তিপূর্ণ চূড়ান্ত খেলা অনুষ্ঠিত

শামীম আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে

রবিবার বিকেলে কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত খেলায় ট্রাইব্রেকারে ৭-৬ গোলে গন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ একাদশ বিজয়ী হয়।গত ৩ জুলাই সান্দিকোনা স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এ খেলা শুরু হয়েছিল। শুরুর দিন সান্দিকোনা ইউনিয়ন বনাম আশুজিয়া ইউনিয়নের খেলায় ৪-০ গোলে বিজয়ী হয়েছিল সান্দিকোনা একাদশ।

শনিবার একই মাঠে গন্ডা ইউনিয়ন একাদশ বনাম পৌরসভা একাদশের খেলায় খেলোয়ারদের মাঝে বিশৃংখলা দেখা দেয়। অভিযোগ উঠে পৌরসভা একাদশের জনৈক খেলোয়ার গন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের এক খেলোয়ারের গায়ে হাত তুলেন। খেলায় তারা পরাজিত হলে সান্দিকোনা ইউনিয়ন বনাম গন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ একাদশ চূড়ান্ত খেলার অবস্থানে যায়। কিন্তু খেলা আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ উপজেলা প্রশাসন রাতেই জরুরী সভায় বসেন।

ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদার।সভায় খেলার মাঠে বিশৃংখলা এড়াতে সান্দিকোনা স্কুল এন্ড কলেজের মাঠ পরিবর্তন করে আশুজিয়া ইউনিয়নের জয়নাথ করোনেশান ইনস্ট্রিটিউট খেলার মাঠে স্থান নির্ধারণ করা হয়। রবিবার বিকেল ৩ টার দিকে এ মাঠে দুই দলের খেলোয়ারা উপস্থিত হয়ে মাঠটি কাদা পানিতে ভরা থাকায় খেলার উপযোগী নয় দাবী করেন।

এরই প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক ভাবে ঐ খেলার মাঠ পরিবর্তন করে মাসকা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে খেলার স্থান নির্ধারন করেন ইউএনও। বিকেল সাড়ে ৫ টায় ওই মাঠে জাতীয় সংগীতের সুরে সুরে খেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মোফাজ্জল হোসেন ভূঞা।পরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদার বলেন, শান্তিপূর্ণ খেলার জন্যে দুটি মাঠ পরিবর্তন করে আমরা এই মাঠে এসেছি।

সব বিশৃংখলা দূরে ঠেলে দিয়ে শান্তিপূর্ণ একটি খেলা দেখার জন্য সকলকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। মাঠের চারপাশে ফুটবল প্রেমীদের ছিল উপচে পড়া ভীড়। গাছের ডালে ও দালানের ছাদে বসেও শান্তিপূর্ণ খেলা দেখেছেন অনেকেই। শান্তিপূর্ণ খেলা অনুষ্ঠানের জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সভাপতি ও প্রধান অতিথি বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com