1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

কোভিড-১৯’কেও হার-মানিয়ে শীর্ষে মশার সংক্রমণ ডেঙ্গু

আবদুর রহিম 
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১০৪৩ বার পড়া হয়েছে

গ্রাম থেকে নগর, নগর থেকে রাজধানী সহ সারা দেশে হঠাৎ করেই এডিস মশার ঘনত্ব ও উৎপাত জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলছে। মশা অতিমাত্রায় বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গু আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বন্দর নগরী চট্টগ্রাম সহ সারা দেশে জনসাধারণের মনে।বাংলাদেশে বহু বছর ধরে ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ থাকলেও ২০২৩ সালে এসে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছে। এই বছরে আক্রান্তের হার যেমন বেড়েছে, তেমনি মৃত্যুর সংখ্যা সর্বোচ্চ ছুঁয়েছে। গত ২৩ বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মোট মারা গেছেন ৮৬৮ জন। কিন্তু এ বছর এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৬৯৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম  সিটি কর্পোরেশনসহ সারা দেশে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

কিন্তু  সচেতনতা বৃদ্ধিসহ  নানান পদক্ষেপ নিলেও নিয়ন্ত্রণে আসছেনা ডেঙ্গু প্রতিরোধ।যা ক্রোভিডকে হার মানিয়ে গেছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা

এদিকে গত কয়েক মাস ধরে মশার যন্ত্রণায় ঘরে-বাইরে, রাত-দিন  স্বাভাবিক ভাবে কাজকর্ম করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রাম থেকে  নগরবাসী সকল শ্রেণির মানুষ । একই সঙ্গে তাদের মনে ডেঙ্গু আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আবার অনেকে মনে করেন  ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথেই মশার উৎপাত ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে । কিন্তু তার দমন  কয়েল, স্প্রে বা মশারিতে দমন করা যাচ্ছে না।

দিনের আলোতে যদিও একটু সাভাবিক থাকে,  সন্ধ্যার পর পরই  মশার তীব্রতা ও ঘনত্ব  শতগুণ বেড়ে যাওয়ায়,এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন গ্রাম-নগর, রাজধানীসহ সারা দেশের সকল  শ্রেণির মানুষ । কোনো শ্রেণিরই মানুষই  স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারছেন না।

তবে প্রশ্ন জন সাধারণের মনে – মশার আক্রমণ কিংবা ডেঙ্গু সংক্রমণ  প্রতিরোধে কি সরকারি সংস্থা গুলো ব্যার্থ?  নাকি অবহেলা? ক্রোভিডকেও হার মানিয়ে এক বছরে মৃত্যুর সংখ্যা শীর্ষে, সেখানে কি ভাবছেন সরকারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর? বাংলাদেশ সরকারের অতিদ্রুত এই সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকরি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com