1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের গণমিছিলের ডাক লোডশেডিং ইস্যুতে গুজব নয়, ধৈর্য ও সচেতনতার আহ্বান; গৌরনদী পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম কাউখালীতে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ঈশ্বরদীতে শিক্ষক পেটানোর ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত গাছ লাগিয়ে জলবায়ু সুরক্ষার বার্তা দিল বাগেরহাটের শিক্ষার্থীরা ফরিদপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগ, স্ত্রী আটক ৩ মামলায় শিল্পী মমতাজের জামিন কালো টাকা সাদা করার বিধান প্রত্যাহারসহ একাধিক প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর বিরোধী দলের আসনে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থে‌কে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ফখরুল বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার

গরমে অতিষ্ঠ কেন্দুয়াবাসী: ২৪ ঘণ্টায় মিলছে মাত্র ২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ, খেলা দেখা থেকে বঞ্চিত দর্শকরা

শামীম আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় তীব্র তাপদাহের মধ্যেই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বিদ্যুৎ সংকট। উপজেলায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ২ থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। প্রচণ্ড গরমে জনজীবন যেখানে ওষ্ঠাগত, সেখানে বিদ্যুতের এই চরম লোডশেডিংয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরম সীমায় পৌঁছেছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিন কিংবা রাত—কোনো সময়ই নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিদ্যুৎ থাকছে না। এক-দেড় ঘণ্টা পর পর বিদ্যুৎ আসলেও তা ১০ থেকে ১৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হচ্ছে না। ফলে তীব্র গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা ও ব্যবসাবাণিজ্য।

বিশ্বকাপের আনন্দ মাটি

চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উন্মাদনা যখন তুঙ্গে, তখন বিদ্যুতের এমন ভেলকিবাজিতে চরম ক্ষুব্ধ ক্রীড়ামোদী দর্শকরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ক্রীড়াপ্রেমীরা জানান, প্রিয় দলের খেলা দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করলেও বিদ্যুতের অভাবে টেলিভিশনের পর্দা পর্যন্ত যাওয়া যাচ্ছে না। মোবাইলেও নেটওয়ার্ক বিপর্যয় ঘটছে লোডশেডিংয়ের কারণে। ফলে বিশ্বকাপের কোনো খেলাই ঠিকমতো উপভোগ করতে পারছেন না তারা।

জনসাধারণের ক্ষোভ

কেন্দুয়া সদরের ব্যবসায়ী ও সাধারণ বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিদ্যুতের এই যন্ত্রণায় তারা অতিষ্ঠ। এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “টাকা দিয়েও আমরা বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি ২০ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ না থাকে, তবে মানুষ বাঁচবে কীভাবে? গরমে রাতে ঘুমানো যাচ্ছে না, দিনের বেলা দোকানে বসা যাচ্ছে না।”

​বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের অবস্থা আরও করুণ। সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে। স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানান, ফ্রিজে রাখা মালামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়ে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় এবং যান্ত্রিক কিছু ত্রুটির কারণে এই লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তবে দ্রুতই এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে তারা আশ্বাস দেন।

​কেন্দুয়াবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই তীব্র লোডশেডিংয়ের অবসান ঘটিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হোক, যাতে অন্তত এই অসহ্য গরমে সাধারণ মানুষ একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com