ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪৮, ময়মনসিংহ-৩, গৌরীপুরে আলাদা আলাদা শ্যালক দুলাভাই পরষ্পরের সহায়কের ভূমিকা পালন করছে।
ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুরে শ্যালক মাসুদ মিয়ার ধারের টাকায় নির্বাচনের মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিক্সা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ফজলুর রহমান।
অপরদিকে বোন জামাইয়ের দেয়া টাকায় নির্বাচনের প্রচারণায় নেমেছেন বাসদ’র (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক এ কে এম আরিফুল হাসান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনে দেয়া তথ্যে এ বিষয়টি জানা যায়।
মো. ফজলুর রহমান উপজেলার পৌর শহরের ভালুকা মহল্লা বাসিন্দা জিনত আলীর পুত্র। এ নির্বাচনে তিনি রিক্সা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। তাঁর নিজস্ব ব্যবসা থেকে আয় ৫লাখ টাকা। আত্মীয় স্বজন হইতে ধার ও কর্জ বাবদ প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থের মধ্যে রয়েছে তারাকান্দা উপজেলার শ্যালক মাসুদ রানার ৫লাখ টাকা, আরেক শ্যালক সাইদুল ইসলামের ৫ লাখ টাকা। আত্মীয় স্বজনের নিকট হতে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত প্রদত্ত দান হিসেবে প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থের মধ্যে রয়েছে বড় ভাইয়ের ৫লাখ টাকা, আবুল হাসেমের দেয়া ৫লাখ টাকা ও লাল মিয়ার দেয়া ৫লাখ টাকা। তাঁর রয়েছে ২৪শতাংশের গৃহ, চাষযোগ্য ১.২০ একর ভূমি, যার মূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এছাড়াও আধাপাকা ১টি ভবন, দৌলতপুরে ছাদ করা ভবন ১টি যার মূল্য ৭লাখ টাকা। তবে ব্যাংকে তার কোনো আমানত নেই।
অপরদিকে বাসদ’র (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী এ কে এম আরিফুল হাসান বোন জামাইয়ের দেয়া অর্থে শুরু করেছেন নির্বাচনী প্রচারণা। তাঁর কেন্দুয়ার বোন জামাই দেলোয়ার হোসেন ৩০ হাজার টাকা। তবে সর্বোচ্চ আয়ের খাতে রয়েছে তার নিজস্ব টিউশনি খাত। এ খাত থেকে তার আয় ১লাখ টাকা। আত্মীয় স্বজনের নিকট হতে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত প্রদত্ত দান হিসাবে প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থের মধ্যে রয়েছে গঙ্গাগ্রমের এনামুল হাসান ৩০হাজার টাকা, গফরগাঁওয়ের খাদিজা আক্তার (খালা) ৪০হাজার, আকুয়ার রাসেল (বোনজামাই) ১০হাজার টাকা, কার্জন (মামা) ২০হাজার টাকা। আত্মীয় স্বজন ব্যতীত অন্যান্য ব্যক্তির নিকট হতে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান হিসেবে প্রাপ্য অর্থের তালিকায় রয়েছেন খাগডহরের ইমরান হোসেনের ১০হাজার টাকা, শিববাড়ির প্রভাত দাসের ১০হাজার টাকা, টাংগাইলের অসীম ভৌমিকের ২০হাজার টাকা, কৃষ্টপুরের তুহিনের ১০হাজার টাকা, কিশোরগঞ্জের জেনাস ভৌমিকের ১৫হাজার টাকা, জামালপুরের রাকিবুল রোমানের ৫হাজার টাকা।
তবে গৃহ সম্পত্তি ব্যতীত অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি নেই তার। অন্যান্য সম্পদ সিকিউরিটি বন্ড ও ব্যাংকের আমানতে রয়েছে ৭০৯টাকা। তার বাৎসরিক আয় ৩লাখ ১০হাজার টাকা, ব্যয় ১লাখ ৭০হাজার টাকা।
এছাড়াও নির্বাচনের মাঠে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যস্ত রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন, স্বতন্ত্র প্রার্থী (উপজেলা বিএনপির বহিস্কৃত আহ্বায়ক) উপজেলা পরিষদে সাবেক চেয়ারম্যান আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা জামায়াতের আমির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা বদরুজ্জামান।