৮ দলের আসন চূড়ান্তের এত দেরীতে হওয়ায়- অন্তত বিজয়ের ৫০টা আসন হাতছাড়া হয়ছে৷ দ্বিতীয় তো; এরমধ্যে তারেক রহমান দেশে ফিরে- অনেক মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়ছেন। তৃতীয় তো; বেগম জিয়ার মৃত্যুতে বহু ভোটের জন্ম হয়ছে। ৪র্থ তো; তারেক রহমানের দেশে ফেরার আনন্দ, বেগম জিয়ার শোক- উভয়ের মধ্যেও বিএনপির প্রার্থীরা তাদের সেরাটা এলাকায় দিচ্ছে৷ অন্যদিকে ৮ দলের চুপচাপ, নীরবতা মানুষের মনে নানান প্রশ্নের সম্মুখ্যিন করছে; ৮ দলের সমাঝোতা হবে? “চরমোনাইওয়ালা আর ভালো হল না, অন্যদিকে- জামায়াত আজীবন বেইমানই রয়ে গেলো” এসব তুলকালাম সাধারণ ভোটারদের মনে নেগেটিভ হিসেবেই উপস্থিত হয়ছে। আমি নিজেও দ্বন্দ্বে। এখনো দ্বন্দ্বে।
এর দায়ভার জামায়াত এবং চরমোনাইকে নিতে হবে৷ কেন না, তাদের ব্যর্থতায় এতদিনও আসন সমাঝোতা হয়নি। তারা যখন মানুষকে আসন সমাখোতার রাজনীতি সামনে আনে; মানুষ উচ্ছ্বাসে তা গ্রহণ করে। প্রথম দিকে তার ধারাবাহিকতা থাকলেও; বিভাগীয় সমাবেশের পর তা ভাটা পড়ে যায়। কেন ভাটা পড়ে? কার জন্য ভাটা পড়ে তা ক্লিয়ার করা উচিৎ! প্রার্থী এলাকায় কাজ করতে পারেনি। জনগণ ভরসা করতে পারেনি- তাদেরকে কেন ভোট দেবে! যার প্রতি মানুষের ভরসা নাই; তাকে ভোট দেবে কোন হালায়? নিজস্ব কর্মীবাহিনী দিয়া ভোটের মাঠে লড়াই করা সম্ভব নয়! এই সুযোগে এককভাবে বিএনপির আধিপত্য চলমান…. অন্যদিকে জামায়াত- চরমোনাই’র নীরবতায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যে বিতর্কের সৃষ্টি করে। যা নির্বাচনে ভূমিকা রাখবে অনেক।
প্রার্থীতা যাচাই-বাছাইয়েও চূড়ান্ত নয়- ৮ দলের প্রার্থী। এখনো যার যার দল তাকে তাকে সমর্থন দিচ্ছে৷ অথচ, মিডিয়ার সামনে কেন্দ্রীয় নেতারা আশ্বাসের বাণী শুনাচ্ছে; কিন্তু কাজের বেলায় কাজ নাই। যা নির্বাচনে অন্তত বিজয়ের ৫০ টা আসনকে পরাজিত করে ছাড়বে।
নির্বাচনে তাদের এই দুর্বলতায় ১০% ভোটার কমে যাবে। বিএনপির ভূমিধস বিজয়ে আগামীতে ৮ দলের পাত্তাও থাকবে না। দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা না করে এভাবে মাঠ গরম করে; সে মাঠে জল ঢেলে দেওয়া রাজনৈতিক দূরদর্শীতার অভাবই বটে।