1. infoobayedcommunicationit@gmail.com : obayed it : obayed it
  2. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
  3. bot@local.invalid : Service Bot :
  4. infoobayed@gmail.com : infoobayed :
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অবশেষে ৯ মাস পর স্ত্রী বুশরার দেখা পেলেন ইমরান খান মডেল রিধিকার আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় প্রেমিকের জামিন নামঞ্জুর কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ড নিহত ৫ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দীপু মনির প্যারোলে মুক্তিতে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ঢাকার চাপে অবস্থান বদলাচ্ছে ভারত, দুই দেশের সম্পর্ক সন্ধিক্ষণে নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য ক্যাসিনো গাইড: প্রথম সেশনের আগে কি যাচাই করবেন KingHills Casino UK mobile app review: seamless gaming experience at your fingertips টিকার পরও ভয়াবহ হাম, প্রশ্নের মুখে ব্যবস্থাপনা রিহ্যাব সেন্টারের নামে ভয়ংকর ফাঁদ সম্পত্তির লোভে মুক্তিযোদ্ধা-শিল্পপতি পিতা বন্দি, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করবো: মির্জা ফখরুল

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে ৩৩%, প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ে সর্বনিম্ন: রয়টার্স জরিপ

Desk report
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা আরও কমে ৩৩ শতাংশে নেমেছে, যা তার বর্তমান মেয়াদে সর্বনিম্ন। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, এমন আশঙ্কাও করছেন বিপুলসংখ্যক মার্কিন নাগরিক। রয়টার্স/ইপসোসের সর্বশেষ জনমত জরিপে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

চার দিন ধরে চালানো জরিপটি সোমবার শেষ হয়। এতে মাত্র ৩৩ শতাংশ মার্কিনি ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিপরীতে, ৬৪ শতাংশ তার পারফরম্যান্সে অসন্তোষ জানিয়েছেন।

চলতি মাসের শুরুতে, রয়টার্স/ইপসোসের জরিপে, ট্রাম্পের অনুমোদনের হার ছিল ৩৫ শতাংশ। নতুন জরিপে তা আরও দুই শতাংশ কমেছে। এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার জনপ্রিয়তা সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এমনকি, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে যে সর্বনিম্ন ৩৩ শতাংশ অনুমোদনের হার রেকর্ড হয়েছিল, বর্তমান জরিপে সেটিকেই যেন পুনরায় ছুঁয়েছেন তিনি।

২০২৫ সালে, দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসে ফেরার সময় ট্রাম্পের প্রতি দেশটির প্রায় অর্ধেক মানুষের সমর্থন ছিল। কিন্তু চলতি বছর ইরানে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে সামরিক হামলা চালানোর পর তার জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সংঘাতের কারণে ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যা সরাসরি চাপ তৈরি করছে মার্কিন পরিবারগুলোর ওপর।

নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চেষ্টা করা ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের ওপরও এর রাজনৈতিক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

একইসঙ্গে, ইরান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় ট্রাম্প মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে জড়ানো এড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পরও তিনি প্রথমদিকে বলেছিলেন, যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যেতে পারে।

তবে বাস্তবে ইরান এখনো প্রতিরোধ অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে তেল পরিবহনও অনেকাংশে আটকে রয়েছে। ফলে সংঘাতের তীব্রতা কিছুটা কমলেও এর অর্থনৈতিক প্রভাব অব্যাহত রয়েছে।

রয়টার্স/ইপসোসের জরিপে অংশ নেওয়া ৮০ শতাংশ মার্কিনি মনে করেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পৃক্ততা দীর্ঘ সময় ধরে চলবে। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এই আশঙ্কা ৮৭ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের মধ্যে ৭১ শতাংশ।

অন্যদিকে, মাত্র ১৬ শতাংশ মার্কিনি মনে করেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাত কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যেতে পারে।

যুদ্ধের জেরে গ্যাসের দাম বাড়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অন্যতম কারণ হিসেবে দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন ঠেকানোর কথা বলে আসছেন ট্রাম্প। শুক্রবার নিউইয়র্কের গার্ডেন সিটিতে এক রাজনৈতিক সমাবেশে তিনি বলেন, একটি ‘অত্যন্ত শয়তান’ রাষ্ট্রের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র যাওয়া ঠেকাতে মার্কিন নাগরিকদের জ্বালানির জন্য ‘সামান্য বেশি’ অর্থ ব্যয় করাও মেনে নেওয়া উচিত।

তবে যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মার্কিন জনগণের মধ্যে তেমন সমর্থন নেই। রয়টার্স/ইপসোসের সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, প্রতি পাঁচজন মার্কিন নাগরিকের মধ্যে মাত্র একজন মনে করেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করা যুক্তিসংগত হয়েছে। রিপাবলিকানদের মধ্যেও মাত্র অর্ধেক এ যুদ্ধকে সমর্থন করছেন।

সংঘাতের স্থায়িত্ব এবং জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ এখন ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের মধ্যেও বাড়ছে। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদে নিজেদের অল্প ব্যবধানে থাকা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে দলটির জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের পাশাপাশি সিনেটেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাবনা দেখছে। ফলে ইরান যুদ্ধ, জ্বালানির মূল্য এবং ট্রাম্পের কমতে থাকা জনপ্রিয়তা আগামী মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com