1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের গণমিছিলের ডাক লোডশেডিং ইস্যুতে গুজব নয়, ধৈর্য ও সচেতনতার আহ্বান; গৌরনদী পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম কাউখালীতে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ঈশ্বরদীতে শিক্ষক পেটানোর ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত গাছ লাগিয়ে জলবায়ু সুরক্ষার বার্তা দিল বাগেরহাটের শিক্ষার্থীরা ফরিদপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগ, স্ত্রী আটক ৩ মামলায় শিল্পী মমতাজের জামিন কালো টাকা সাদা করার বিধান প্রত্যাহারসহ একাধিক প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর বিরোধী দলের আসনে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থে‌কে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ফখরুল বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার

ধান কাটার মৌসুমে বৃষ্টির হানা, বিপাকে নবাবগঞ্জের কৃষক

সাইদুর রহমান সুমন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় বোরো ধান কাটার মৌসুম শুরু হওয়ার আগ মুহূর্তে টানা বৃষ্টিপাতে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।
 মঙ্গলবার ও বুধবার (২৮ ও ২৯ এপ্রিল) সকাল থেকে থেমে থেমে হওয়া ভারী বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন মাঠে পানি জমে গেছে। এতে পাকা ধান কাটা ও ঘরে তোলা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক জমির ধান ইতোমধ্যে পেকে সোনালি রঙ ধারণ করেছে। কিছু কৃষক ধান কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে হঠাৎ বৃষ্টিপাত তাদের সেই প্রস্তুতিতে বাধা সৃষ্টি করেছে। জমিতে পানি জমে থাকায় কৃষকরা মাঠে নামতে পারছেন না। নিচু এলাকার কিছু জমিতে ধান হেলে পড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
শওগুন খোলা গ্রামের কৃষক আতোয়ার রহমান জানান, তিনি ৪ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন। তার অধিকাংশ ধান এখন কাটার উপযোগী হলেও টানা বৃষ্টির কারণে তিনি ধান কাটতে পারছেন না।
তিনি বলেন, “ধান পুরোপুরি পেকে গেছে। এখন বৃষ্টির কারণে জমিতে পানি জমে আছে। আর কয়েকদিন এমন বৃষ্টি হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। আগে খাল দিয়ে পানি দ্রুত নেমে যেত, কিন্তু এখন খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি সহজে নামতে পারছে না।”
একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সীতাকোট বাজার এলাকার কৃষক ফারুক হোসেন। তিনি জানান, ১০ বিঘা জমিতে চিকন মিনিকেট ধানের আবাদ করেছেন। ফলন ভালো হলেও জমিতে পানি জমে থাকায় হারভেস্টার মেশিন নামানো যাচ্ছে না। পাশাপাশি শ্রমিক সংকটও রয়েছে।
তিনি বলেন, “ধান কাটার সময় এমন বৃষ্টি কৃষকদের জন্য বড় সমস্যা। শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না, যারা আছে তারা বেশি টাকা দাবি করছে। এখন কীভাবে ধান কাটবো তা নিয়ে চিন্তায় আছি।”
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে নবাবগঞ্জ উপজেলায় ১৭ হাজার ৮৫৪ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ভালো ফলনের আশা করা হলেও হঠাৎ বৃষ্টিপাতে কৃষকদের মধ্যে নতুন শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। তারা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, খাল সংস্কার এবং কৃষি যন্ত্রপাতিতে সরকারি সহায়তা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।
বছরের অন্যতম প্রধান ফসল ঘরে তুলতে এখন আকাশের দিকে তাকিয়ে উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় পার করছেন নবাবগঞ্জের হাজারো কৃষক।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com