1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন রায়গঞ্জে “খোলা বার্তা”র ১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন সাতক্ষীরায় জমি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধ বাবা-মাকে নির্যাতনের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি নাটোরের বড়াইগ্রামে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মেরে হাত ভেঙ্গে দিলেন বিএনপি নেতাকর্মীরা বাগেরহাটের রামপালে খাল দখলমুক্ত অভিযান নলিয়া খাল পুনরুদ্ধার শ্যামনগরে জমি বিরোধে হামলা: আহত ৪, লুটপাট ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

মোঃ সোহানুর রহমান
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় একই পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। এ ঘটনায় অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশি হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিরা হলেন—নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা ও হালিমা, ভাগনে সবুজ রানা (২৫) এবং ভগ্নিপতি শহিদুল।

ওসি মাহবুবুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের পরপরই ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশের একাধিক তদন্ত সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছে। এসব আলামত বিশ্লেষণ এবং আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি সামনে আসছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

প্রয়োজনে আরও সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, গত সোমবার মধ্যরাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহতরা হলেন—হাবিবুর রহমান (৩২), তার স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং তিন বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির ভেতরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ফজরের নামাজের পর দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ভেতরে ঢুকে মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুর রহমানের বোন শিরিনার সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এ নিয়ে আগেও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com