1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টার এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’: ঝুঁকিতে চিকিৎসক-নার্স, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। মানিকগেঞ্জ নব নিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে হরিরামপুর প্রেসক্লাবের মত বিনিময়

নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই কার্যক্রম চালাচ্ছে দিগপাইত নাছিমা ডায়াগনস্টিক সেন্টার

শাহ আলম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪
  • ৪১২ বার পড়া হয়েছে

জামালপুর সদর উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র দিগপাইতের সরিষাবাড়ি রোডে অবস্থিত নাছিমা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্সটি নবায়ন করা নেই। ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক শহিদ ডাক্তার (সকলেই যে নামে তাকে চিনেন) পেশায় সে একজন ঔষধ ব্যবসায়ী। কয়েক বছর হলো, সে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবসা শুরু করেছে। তার ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির লাইসেন্সের মেয়াদকাল ২০২২ এবং ২০২৩ অর্থবছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বৈধ ছিলো। লাইসেন্সের মেয়াদকাল ৮ মাস আগে শেষ হলেও কোন প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে লাইসেন্স নবায়ন করা ছাড়াই দেদারসে তিনি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

তাকে প্রশ্ন করা হয়, লাইসেন্স নবায়ন না করে এভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন? জবাবে তিনি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পেতে দেরী হয়েছে। গত বছর ৩০ ডিসেম্বর পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পেয়েছি। তারপর লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেছি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির যেমন অভাব রয়েছে। তেমনি প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ জনবলও নেই। খুব অল্পস্থানে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি পরিচালিত হওয়ায় স্বাভাবিক স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্সের কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশ পথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে হবে। সব বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে হবে। একইসাথে তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। যে সব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে, কিন্তু শুধুমাত্র ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে, তারা লাইসেন্স পাওয়া ছাড়া কোনেভাবেই নামে উল্লেখিত সেবা প্রদান করতে পারবে না। ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটারগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শুধুমাত্র সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কোনভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে না।

ক্যাটারগরি অনুযায়ী প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে। হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সব চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রির সনদ, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। কিন্তু দিগপাইতের নাছিমা ডায়াগনস্টিক সেন্টার সরকারের নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে সর্বোপরি সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশিত নিয়মনীতি উপেক্ষা করে তাদের মনগড়াভাবে পরিচালিত করছে। গত ২২ ফেব্রুয়ারী জামালপুরের সিনিয়র ৪ জন সাংবাদিক বিস্তারিত তথ্য জানতে নাছিমা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গেলে, ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ও তার ছেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কি লেগে যায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পত্রিকায় নিউজ ছাপা হয়। প্রশাসনসহ সামাজিকভাবে বিষয়টি সকলের সামনে চলে আসে। নাছিমা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকের ছেলে শুভ স্থানীয় এক সিনিয়র সাংবাদিককে জানান, উপর মহলে আলোচনা করা আছে। তাই নিউজ করে কিছুই করতে পারবেন না। সবকিছু ম্যানেজ করাই আছে। সারাদেশের অবৈধ বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় জামালপুর শহরের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে সিলগালাসহ বিভিন্ন অনিয়মের জন্য নগদ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কিন্তু দিগপাইতের নাছিমা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যাপারে কোন এক অজ্ঞাত কারণে প্রশাসন নিরব ভুমিকা পালন করছে। তাই জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, এখানে অন্যকোন বিষয় আছে নাকি প্রশাসনের ক্ষমতার চেয়েও নাছিমা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ক্ষমতা বেশী? ওই এলাকার সচেতন মহলে এ বিষয়টা নিয়ে নানানরকম আলোচনা ও সমালোচনা হচ্ছে। তাই স্বাস্থ্য সচেতন মহল প্রশাসনকে অতিদ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com