1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টার এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’: ঝুঁকিতে চিকিৎসক-নার্স, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। মানিকগেঞ্জ নব নিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে হরিরামপুর প্রেসক্লাবের মত বিনিময়

পরিবারের সবার কথা ভেবে ঈদের খাবার যেমন হওয়া উচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৩০৯ বার পড়া হয়েছে

দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এই সময় খাবারের বৈচিত্র্য ও পরিমাণ দুটিই অনেক বেশি থাকে। দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখার পর হঠাৎ বেশি খাবার খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে। বিশেষ করে পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

পরিবারে শিশুসহ অনেকের বসবাস। তাঁদের কারও হয়তো ডায়াবেটিক, হার্টের অসুখ, উচ্চ রক্তচাপ, বাড়তি ইউরিক অ্যাসিড, ফ্যাটি লিভার, কিডনির জটিলতা থাকতে পারে। তাই সবার কথা ভেবেই ঈদে খাবার তৈরি করা উচিত।

দিনে মাংস কতটুকু

সুস্থ-স্বাভাবিক ৭০ কেজি ওজনের একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি দিনে ২৫০ থেকে ৩০০ গ্রাম মাংস খেতে পারেন। তবে অন্য কোনো প্রোটিনের উৎস থাকলে মাংসের পরিমাণ কমাতে হবে। সেটা একবারে না খেয়ে সারা দিনে দুই থেকে তিনবারে ভাগ করে খেতে হবে।

কিডনি রোগীর খাবার

কিডনি রোগীর ফার্স্ট ক্লাস প্রোটিনের ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কমাতে হবে। রেডমিটে (লাল মাংস) সোডিয়াম বেশি থাকে। তাই গরু-খাসির পরিবর্তে মুরগির মাংস খাওয়া ভালো। বিচিজাতীয় খাবার (সেকেন্ড ক্লাস প্রোটিন) ডাল, ডালের তৈরি খাবার, শিম-কাঁঠালের বিচি, মটরশুঁটি, বরবটি, বাদাম খাওয়া বন্ধ করতে হবে। লবণ ও লবণাক্ত খাবার কম খাবেন।

হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল

গরু-খাসির মাংস বেশি খাবেন না। চামড়া ছাড়া মুরগি বা হাঁসের মাংস খাওয়া যাবে। গরু-খাসির মাংসে যে চর্বি থাকে, সেটা বাদ দিয়ে রান্না করে ঝোলছাড়া পরিমিত খাওয়া যাবে। কলিজা, মগজ, মাছের ডিম, দুধের সর, চিংড়ি মাছের মাথা, মেয়োনিজ, ডালডা, মার্জারিন বা এগুলো দিয়ে তৈরি খাবার খাবেন না। অতিরিক্ত লবণ ও লবণাক্ত খাবার, প্যাকেটজাত খাবার খাবেন না।

ডায়াবেটিস ও ইউরিক অ্যাসিড

ডায়াবেটিসে মিষ্টি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার বাদ দিন, সরল শর্করার বদলে জটিল শর্করা খান এবং ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলুন।

যাঁদের রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেশি, তাঁরা হাঁস, গরু, খাসির মাংস খাবেন না। সব ধরনের অর্গান মিট, যেমন কলিজা, মগজ, মাছের ডিম, ভুঁড়ি খাওয়া যাবে না। সামুদ্রিক মাছ, বুটের ডাল, মটরের ডাল খাবেন না। অন্যান্য ডাল কম খাবেন। বেগুন, ফুলকপি, ব্রুকলি, মাশরুম খাবেন না।

আইবিএস

আইবিএসের রোগীরা দুধ ও দুধের তৈরি খাবার, যেমন পায়েস, পুডিং, সেমাই ইত্যাদি খাবেন না। তবে ল্যাকটোজ ফ্রি দুধ দিয়ে রান্না খাবার খাওয়া যাবে। শাক খাবেন না।(সূত্র:প্রথম আলো)

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com