দিনাজপুরের পার্বতীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রায় ৪ বিঘা ৬৪ শতক জমির ধানে আগাছানাশক প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এতে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক আবু বক্কর। এ ঘটনায় পার্বতীপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।
গত শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার ৮ নম্বর হাবড়া ইউনিয়নের ঝিনাইকুড়ী মৌজায় ক্ষতিগ্রস্ত ধানের জমি পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, জমির সবুজ ধানগাছ হলদে হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও ধানগাছ মরে গিয়ে পুরো জমি বিবর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, জমিতে আগাছানাশক প্রয়োগের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইকুড়ী স্কুলপাড়া গ্রামের আবু বক্কর দীর্ঘদিন ধরে ঝিনাইকুড়ী মৌজার ওই জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। তবে জমির মালিকানা নিয়ে একই এলাকার মঞ্জুরুল মন্ডল, মতিয়ার রহমান ও তাঁদের লোকজনের সঙ্গে আবু বক্করের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে এর আগেও একাধিকবার উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।
আবু বক্করের অভিযোগ, এর আগে ও ঐ জমির ভূট্টা গাছ কেটে দিয়ে ছিল দুর্বৃত্তরা পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাঁর জমিতে আগাছানাশক প্রয়োগ করে ধানের ক্ষতি করা হয়েছে । এতে প্রায় ১ একর ৫৩ শতক জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা বলে দাবি করেন তিনি।
আবু বক্কর বলেন, “এই ফসলের ওপর নির্ভর করেই আমাদের সংসার চলে। হঠাৎ করে ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”এ ঘটনায় প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে পার্বতীপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের তদন্তের ফলাফল জানা যায়নি।




