1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মানিকগেঞ্জ নব নিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে হরিরামপুর প্রেসক্লাবের মত বিনিময় ২১ দেশে কাজ করছে বাংলাদেশের ২৪ বাণিজ্যিক উইং: বাণিজ্যমন্ত্রী বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মিথ্যা অভিযোগে কারা নির্যাতিত শাকিলা ফারজানা সৌদি আরবে অবস্থানরত ২২০০০ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যবসায়ীর কাছে বিএনপির তিন নেতার ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি সোনাতলায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন চিলমারীতে দুই বছরের শিশু হত্যার রহস্য উদঘাটনে সংবাদ সংগ্রহে তিন সাংবাদিককে বাধা সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঘাস ব্যবসায়ীর হাত ভাঙা ‎ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ‌ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ফুলবাড়ীতে কৃষকদের প্রচন্ড গরমের যন্ত্রনা শরীরে থাকলেও হৃদয়ে বইছে শান্তির বৃষ্টি

মো. নাজমুল হাসান
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪
  • ৭৬৬ বার পড়া হয়েছে

প্রকৃতির নিয়মে প্রথমেই আমরা গ্রীষ্মকে আলিঙ্গন করি। ইতোমধ্যেই গ্রীষ্ম প্রকৃতিতে তার তেজ দেখানো শুরু করে দিয়েছে। বাড়ছে গরমের তাপদাহ। এর মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে স্বস্তির বৃষ্টি হলেও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এখোনা তা পরখ করেনি এই উপজেলাবাসী। তবুও প্রচন্ড গরমের অসহ্য যন্ত্রনা শরীরে থাকলেও ফুলবাড়ী উপজেলার সাধারন কৃষকদের হৃদয়ে বইছে শান্তির বৃষ্টি।

চলতি মৌসুমের বোরো ধান ঘরে তুলতে কৃষকেরা বর্তমানে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। অনেক কষ্টের ফসল (বোরো ধান) নিয়ে কৃষকের মনে নেই কোন দুচিন্তা। কেননা প্রখর রোদে মাঠের ধান খুব সহজেই বাড়ীতে নিয়ে এসে মারাই করে দ্রুত সময়ের মধ্যে রোদে শুকিয়ে ঘরে তুলছে কৃষকেরা। ধানের সাথে সাথে খড় ও শুকিয়ে সংরক্ষন করছেন। এ উপজেলায় বেশিরভাগ কৃষক এরই মধ্যে তার কাংক্ষিত বোরো ধান ঘরে তুলেছে। আশানুরুপ ফসল ঘরে তুলতে পেরে বেজায় খুশি উপজেলার কৃষকরা।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছর বোরো ধান কাটার সময় ঝর বৃষ্টি সহ শিলা বৃষ্টির প্রকোপে অনেক কৃষকের ধান নষ্ট হয় কিন্তু এ মৌসুমে ধান কাটার সময় কোন বৃষ্টি বা শিলা বৃষ্টি, বাতাস না থাকায় ফসলের মাঠে বোরো ধানের কোন ক্ষতি হয়নি এবং ধান কাটা থেকে মারাই করে ঘরে তুলতে কোন ধরনের সমস্যা হয়নি।

ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে এ মৌসুমে ফুলবাড়ী উপজেলায় বোরো উপসী ও হাইব্রীড ধান চাষের লক্ষমাত্রা ১০ হাজার ১ শত ৯০ হেক্টর। ফুলবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে ৩ হাজার ৭ শত ২০ জন কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিনামূল্যে প্রণোদনার মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে। বোরো ধান চাষে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতাও করা হয়েছে।

তবে কৃষকদের কষ্টের ফসল বোরো ধান বাজারে বিক্রয় করতে গিয়ে কৃষকরা দুচিন্তায় পড়তে হচ্ছে। কেননা এ মৌসুমে ডিজেল, সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় উত্পাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের কৃষকরা জানায় কৃষি খাতে সবকিছুর বাড়তি দামের কারণে ধান চাষে লাভ খুব কম হয়। আর চাষ না করে জমি ফেলে রাখারও উপায় নাই। ধানের বাজার মুল্য তুলনামুলক কম হওয়ায় অনেক কৃষক ঝুকে পড়ছে ভূট্টা চাষে। গত বছর এক বিঘা জমিতে ইরি-বোরো ধান রোপণ করতে খরচ হয়েছিল ১২ হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা। গত বছরের তুলনায় এবার বিঘাপ্রতি খরচ বেড়েছে দেড় থেকে ২ হাজার টাকা। সেই হিসেবে গত বছরের তুলনায় চলতি বছর বিঘাপ্রতি ১১ থেকে ১৪ শতাংশ বাড়তি খরচ গুণতে হচ্ছে কৃষকদের। আর বর্গাচাষিদের ক্ষেত্রে খরচটা আরো বেশি। ধানের বাজার মুল্য আর একটু বেশি হলে ধান চাষে লাভবান হওয়া যেত বলে মনে করেন কৃষকরা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com