সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রলীগনেতা রবিন ও নবাবপুর ইউনিয়ন ছাত্রনেতা মোশাররফ একই যোগসূত্রে থেকে বিএনপির নেতাতের চরিত্র হননের অপচেষ্টা
১নং ছবিতে যাকে দেখতেছেন সে হচ্ছে পালিয়ে যাওয়া সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মোতালেব রবিন।
২নং ছবিতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন সে হচ্ছে নবাবপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন।
উভয়জনের বাড়ি নবাবপুর ইউনিয়ন এর অন্তর্গত গোয়ালিয়া গ্রামে এবং পাশাপাশি বাড়ি। সম্প্রতি নবাবপুর ইউনিয়ন এ কালিদাস পাহালিয়া বাঁকা নদী সোজা করনের সরকারি কাজে অন্যায় ভাবে বাঁধা সৃষ্টি করে জনপ্রিয় চেয়ারম্যান জনাব জহিরুল আলম জহির এর সাথে জামেলা সৃষ্টি করে।
পরবর্তীতে এই জামেলাগুলোর কথা শুনার সাথে সাথে ছুটে আসেন নবাবপুরে সোনাগাজীর যুবনেতা উপজেলা যুবদলের সভাপতি জনাব Khurshid Bhuiyan ।
এই ছুটে আসার কথা শুনে ছাত্রলীগ নেতা রবিন তার আইডি থেকে খুরশিদ আলম কে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে পোস্ট করে।
তার কিছুক্ষণ পরে ছাত্রনেতা মোশারফ রবিনের পোষ্ট মোশাররফের আইডি থেকে শেয়ার করে যুবনেতা খুরশিদ আলমের চরিত্র হননের অপচেষ্টা করে যাহা উল্লেখিত ছবিগুলো দেখলে বুঝতে পারবেন আপনারা।
৫ই আগষ্ট এই রবিনকে নবাবপুর থেকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতার করে এই মোশাররফ।
এই মোশাররফ এর মত ছেলেগুলোকে আশ্রয় এবং পশ্রয় দিচ্ছেন ফেনী জেলা যুবদলের সদস্য মোজাম্মেল হোসেন আরিফ , আরিফের বড় ভাই লিঠন এবং,নবাবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক জহির উদ্দিন সোহাগ,ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি বেলায়েত হোসেন।
তারা গত তিনটি ইউপি নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে আওয়ামী সমর্থীত চেয়ারম্যান এর নির্বাচনগুলো করেও শান্ত হতে পারেনি।
তাই নবাবপুর জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষথেকে দলের হাই কমান্ডের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি উপযুক্ত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।
নাহয় এরাই আওয়ামীলীগ দোসরদের পশ্রয় দিয়ে জাতীয়তাবাদী পরিবারের অবস্থা তলানিতে নিয়ে যাবে।