1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের গণমিছিলের ডাক লোডশেডিং ইস্যুতে গুজব নয়, ধৈর্য ও সচেতনতার আহ্বান; গৌরনদী পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম কাউখালীতে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ঈশ্বরদীতে শিক্ষক পেটানোর ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত গাছ লাগিয়ে জলবায়ু সুরক্ষার বার্তা দিল বাগেরহাটের শিক্ষার্থীরা ফরিদপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগ, স্ত্রী আটক ৩ মামলায় শিল্পী মমতাজের জামিন কালো টাকা সাদা করার বিধান প্রত্যাহারসহ একাধিক প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর বিরোধী দলের আসনে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থে‌কে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ফখরুল বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার

মাধবপুরে উদ্বোধনের আগেই সেতুর সংযোগ রাস্তার সাথে বিচ্ছিন্ন

লিটন পাঠান
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় তিন কোটি টাকা বরাদ্দে নির্মিত একটি সেতু উদ্বোধনের আগেই এর সংযোগ সড়ক ধসে গেছে। সেতুর কাজ করার সময় অপরিকল্পিতভাবে টিলা কাটার কারণেই এ ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। জানা গেছে, সুরমা চা–বাগানের ভারতের সীমান্তবর্তী আমতলী এলাকায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সম্প্রতি পাহাড়ি ঢলের সময় সেতুর এক পাশের সংযোগ সড়ক ধসে যায়। যদিও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বলছে, সেতুটি এখনো ঠিকাদারিপ্রতিষ্ঠান তাঁদের বুঝিয়ে দেয়নি। তাই, ঠিকাদারকে সংযোগ সড়ক পুনরায় নির্মাণ করেই পুরো প্রকল্পের কাজ বুঝিয়ে দিতে হবে।
এলজিইডির মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সিলেট বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২০ সালের ১২ জুলাই তেলিয়াপাড়া-শাহপুর সড়কের ২৫০ মিটার চেইনেজে ৪৫ মিটার আরসিসি পিএসসি গার্ডার সেতু নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পের কার্যাদেশ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজ। তত্ত্বাবধানে রয়েছে এলজিইডির মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ২ কোটি ৯৯ লাখ ৩২ হাজার ৮৫১ টাকা। সুরমা চা–বাগানের বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেতুর কাজ শুরুর সময় অপরিকল্পিতভাবে টিলা কাটার কারণেই এই ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে।
সীমান্তবর্তী এই এলাকায় প্রায় আড়াই হাজার মানুষের বসবাস। যোগাযোগের জন্য রয়েছে দুটি কাঁচা রাস্তা। এর মধ্যে ফয়জাবাদ এলাকা দিয়ে পুরাতন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত সড়ক দিয়ে নিয়মিত সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে। অপরদিকে আমতলী সড়কে দুটি বড় পাহাড়ি ছড়া থাকায় যানবাহন চলাচল সম্ভব হয় না। ফলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ দীর্ঘদিনের। স্থানীয় বাসিন্দা দিপু যাদব (মনা) বলেন, ‘টিলা কাটার কারণেই সড়কে ভাঙনের শুরু হয়েছে। ছড়ার বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গেছে আগে ছড়াটি এত বড় ছিল না।
রবি কুর্মি নামের আরেকজন বলেন, এই সড়কে আরও দুটি পাহাড়ি ছড়া রয়েছে। সেখানে সেতু না থাকলে যানবাহন চলাচল সম্ভব নয়। একটি সেতুর পেছনে এত টাকা ব্যয় না করে ফয়জাবাদ থেকে ২০ নম্বর পর্যন্ত দুই কিলোমিটার রাস্তা পাকা করলে এলাকাবাসীর বেশি উপকার হতো। এলজিইডির মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউন নবী বলেন, আমরা এখনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ বুঝে নিইনি। তাই তাঁদের দায়িত্বে সংযোগ সড়ক ঠিক করে আমাদের কাছে কাজ বুঝিয়ে দেবেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের নানা অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com