1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০২:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জ্বালানি সংকটে স্থবির কলারোয়া: ইউরেকা পাম্পে দীর্ঘ সারি, সোনিয়া পাম্প বন্ধ খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতির সহধর্মিনীর শাহাদাত বার্ষিকী দালাল চক্রের হাতে জিম্মি দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ; নির্বিকার প্রশাসন লালমোহনে ১০০ পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে লালমোহন থানার পুলিশ। সোনাতলায় বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের মত বিনিময়। জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী স্বামী গ্রেফতার ঈদগাঁও উপজেলা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের এমপি কাজলের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভোলার – লালমোহনে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত রাজপথের দুই যোদ্ধা এবার ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে: ফরিদপুর ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক সাহেদুল, সদস্য সচিব সজল

যশোরে ভাঙচুর মামলা: চার্জশিটে আ.লীগ নেতা মিলন ও বিএনপি কর্মীদের নাম জড়ানোয় ক্ষোভ

মোঃ জুম্মান হোসেন
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে
যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের হামিদপুর পশ্চিমপাড়ায় আসাদুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলার চার্জশিট তদন্তে ইউনিয়ন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামানের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি চলমান থাকলেও সম্প্রতি চার্জশিটে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের নামের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন কর্মী হামিদপুরের ময়েন উদ্দিন,নাসির ও নাজেম মোল্লা নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এলাকাজুড়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, এ মামলার তদন্তে উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাদের নাম জড়ানো হয়েছে, যা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার কৌশল হতে পারে। তারা এ ঘটনায় গভীর হতাশা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের একাংশ মনে করছে, চার্জশিটের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে এবং ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় কারো ছাড় নেই। অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, তাদের বিচারের আওতায় আসা উচিত।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আইনজ্ঞ মহল মনে করছে, চার্জশিট প্রক্রিয়ায় যদি কোনো অসঙ্গতি থাকে, আদালতের মাধ্যমে তা নিরসন হবে।
উল্লেখ্য ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামানের অভিযোগ, বাওরপাড়ে তার দু’একর ৯৭ শতক জমি ঝিনাইদহ শিল্প ব্যাংকের কাছ থেকে নিলামে কেনেন ১৯৯৩ সালে। এর আগে ওই জমি ছিল বাঘারপাড়ার নূরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির। তিনি সেখানে খামার করেছিলেন ওই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে। টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ব্যাংক নিলামে তা বিক্রি করে দেয়।১৯৯৩ সালে নিলামে কেনার পর থেকেই তিনি ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। তিনি আরও বলেন, নূরুল ইসলাম মূলত জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের বেয়াই। সেই কারণে কয়েক বছর আগে থেকে ওই জমি শহিদুল ইসলাম মিলন দখলের চেষ্টা করে আসছেন। জমি থেকে তাদেরকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন তিনি। সর্বশেষ, বৃহস্পতিবার দুপুরে ১০ থেকে ১২ টি মাইক্রোবাসে করে শতাধিক সন্ত্রাসী তাদের বাড়িতে লাঠি, হকিস্টিক নিয়ে হাজির হয়। তারা মুহূর্তের মধ্যে ঘর খালি করে দিতে বলে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সন্ত্রাসীরা তাদের ঘরে ঢুকে লুটপাট শুরু করে। সোনার গহনাসহ নগদ টাকা পয়সা নিয়ে বাকি আসবাবপত্র বাইরে ফেলে দেয়। গোয়াল থেকে গরু-ছাগল খুলে নেয়।এরপর বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙতে শুরু করে।ওইসময় পুলিশকে ফোন দেয়ার চেষ্টা করলে বাড়ির সকলের কাছ থেকে ফোন কেড়ে ভেঙে ফেলে। একে একে আটটি ঘর ভেঙে চুরমার করে দেয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com