১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১১.৪৫ ঘটিকায় রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর অধীনস্থ খিদিরপুর বিওপি’র আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কাটাখালী থানাধীন পূর্ব বাতান এলাকার খয়ের বাগান নামক স্থান দিয়ে কিছু মাদকদ্রব্য পাচার হবে।
উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি’র আভিযানিক দল মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য কাটাখালী থানাধীন পূর্ব বাতান এলাকার খয়ের বাগানের ভিতরে এ্যাম্বুস করে থাকে। দীর্ঘ সময় এ্যাম্বুসে থাকার পর দেখতে পায় যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী নদী পথে আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে ইঞ্জিন চালিত নৌকা যোগে খয়ের বাগানের দিকে আসছে। মাদক ব্যবসায়ীরা খয়ের বাগানের কাছাকাছি আসার পর বিজিবি’র আভিযানিক দল কর্তৃক ঘটনাস্থলেই ০২ জন আসামী যথাক্রমে (১) মোঃ হৃদয় হোসেন (২৩), পিতা-মোঃ বাদশা মিয়া, গ্রাম-চর মুক্তারপুর, পোস্ট-মুক্তারপুর, থানা-চারঘাট, জেলা-রাজশাহী এবং (২) মোঃ রাহুল মিয়া (১৯), পিতা-মোঃ মতিউর ইসলাম, গ্রাম-টাংগন, পোস্ট-চৌমুহনী, থানা-চারঘাট, জেলা-রাজশাহী’কে *১৯০ বোতল ভারতীয় Escuf সিরাপ, ০১ টি ইঞ্জিন চালিত নৌকা, ০২ টি এনড্রয়েড মোবাইল এবং ০১ টি হাসুয়াসহ* গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তীতে ভারতীয় বিএসএফ এর সহযোগীতায় উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত আরো ০১ জন আসামী মোঃ সজল মিয়া (৩৫), পিতা-মোঃ মঞ্জুর হোসেন, গ্রাম-টাংগন, পোষ্ট-চৌমুহনী, থানা-চারঘাট, জেলা-রাজশাহী’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য যে, উক্ত মাদক পাচারের মূল হোতা ও এজাহার নামীয় পলাতক আসামী মোঃ মিলন ফাহতা (৩৫), পিতা-মৃত ছুলেমান আলী, গ্রাম-চকমুক্তারপুর, পোষ্ট-মুক্তারপুর, থানা-চারঘাট, জেলা-রাজশাহী’কে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় গ্রেফতার করা যায়নি। তাকে গ্রেফতারের জন্য সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারী ও টহল তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আটককৃত ০৩ জন আসামীসহ জব্দকৃত মালামাল কাটাখালী থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।