রাজশাহী-৩(পবা মোহনপুর)ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে সৌভাগ্য দূত হয়ে এসেছেন নাসির হোসেন অস্থির ।এই জনপদের মানুষের ভাগ্যে উন্নয়নে তার কোনো বিকল্প নাই। অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব প্রয়াত কবির হোসেন এররেখে যাওয়া অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো সমাপ্ত করতেই নাসির হোসেন অস্থির মতো নেতৃত্ব প্রয়োজন।
নির্বাচনী এই এলাকা ভৌগোলিক বৈচিত্র্যেঘেরা। পবা পদ্মার ধু-ধু বালুচর, মোহনপুর পান ধানের উর্বর ভূমি। এই আসনের মানুষের প্রত্যাশাও একটু ভিন্নমাত্রার। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব যার কাঁধে পড়ে, ভোটের আগে তাকে ঘিরেই হিসাব-নিকাশের পালা চলে। গেল তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে সে হিসাব মেলেনি। এবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার (সাবেক) তারেক রহমান এর তরুণ মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যাক্তিদের তালিকায় নাসির হোসেন অস্থির এগিয়ে নিয়ে সেই প্রত্যাশা পুরুণের স্বপ্ন দেখছেন অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে রাজনীতিতে নাসির হোসেন অস্থির আত্মপ্রকাশ।
জানা গেছেএদিকে ভোটারদের মাঝে বোধদয় হয়েছে,নাসির হোসেন অস্থির ছিলেন । নাসির হোসেন অস্থির সাবেক ছাত্রনেতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত বাবার উন্নয়ন ও দানশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পবা মোহনপুর উদাহরণ সৃষ্টি করেছে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ) নিরাপত্তা প্রধান।বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া জননেতা তারেক রহমান এর শক্ত হাতিয়ার হিসেবে নাসির হোসেন অস্থির পরিচিত হয়েছেন তার বাবা কবির হোসেন সাবেক ভূমি মন্ত্রী থাকাকালে রাজশাহীতে ব্যাপকভাবে উন্নয়ন করে গেছেন তার উত্তর সুরি হিসেবে পবা মোহনপুর উপজেলা মডেল উপজেলা হিসেবে উপস্থাপন করতে চায় নাসির হোসেন অস্থির।তার বাবা কবির হোসেন রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। বিএনপির মতো একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান ,দেশের সাবেক রাস্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা যার ওপর এমন আস্থা-বিশ্বাস ও ভরসা রেখেছেন সেই নেতা নাসির হোসেন অস্থির।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত এমন হেভিওয়েট ও হাই প্রোফাইল মর্যাদা সম্পন্ন আদর্শিক এবং পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ সম্পন্ন নেতৃত্ব যে কোনো রাজনৈতিক দলের কাছেই বড় সম্পদ। এসব বিবেচনায় এমন পরিক্ষিত নেতৃত্বকে বঞ্চিত করে দল কখানোই নতুন কাউকে মনোনয়ন দিবে না। তিনি দলীয় প্রধানের বিশস্ত আস্থাভাজন ও আদর্শিক নেতৃত্ব হিসেবে রাজনীতি করে আসছেন। ফলে তিনি মনোনয়ন নিয়ে ভাবেন না, তাঁর সুপারিশে অনেকের মনোনয়ন হয়। রাজনৈতিক অঙ্গনের যেসব অর্বাচীনরা এটা বোঝে না, তারাই শরিফ উদ্দিন সম্পর্কে নেতিবাচক আলোচনা করেন।
এদিকে ইতমধ্যে আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেতে এরই মধ্যে অনেকে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। তবে এখানে নাসির হোসেন অস্থির সহযোগিতা করার জন্য বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল থেকে নেতাকর্মীদের বার্তা দেয়া হয়েছে বলে মাঠ পর্যায়ে প্রায় প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে এমন আলোচনা হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দলের ভিতর এবং বাইরের নানা ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, প্রতিহিংসা ও গুজবের বহু অন্ধকার গলিতেও তিনি পথ হারাননি এবং গতানুগতিক রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি।নিজস্ব, স্বকীয়তা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন অমায়িক ব্যবহার ও প্রচণ্ড সাহসী নেতৃত্বের লৌহমানব তিনি রাজনীতির সীমানা অতিক্রম করে ধীরে ধীরে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার পুরুষে হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার প্রতি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ তাতে তিনি না চাইলেও তানোর-গোদাগাড়ীর মানুষ তাকেই তাদের নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে, এখানে তার কোনো বিকল্প নাই। কারণ সাধারণ মানুষের নিখাদ ভালবাসার চেয়ে বড় কোন শক্তি নাই। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁছাতে চাই,সেখান থেকেই নাসির হোসেন অস্থির রাজনীতি শুরু। তার যে পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক মর্যাদা,ব্যক্তি অর্জন তাতে রাজনীতি থেকে তার নেয়ার কিছু নেই, তবে দেবার অনেক কিছুই রয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তরাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব প্রয়াত প্রয়াত কবির হোসেন পরবর্তী নেতৃত্ব হিসেবে তৃণমূল নাসির হোসেন অস্থির আলোচনা ও পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন। প্রয়াত কবির হোসেন অবর্তমানে যদি কেউ নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন সেটা নাসির হোসেন অস্থির ব্যতিত আর কারো পক্ষে সম্ভব নয়। প্রয়াত কবির হোসেন রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজগুলো তার পক্ষেই সমাপ্ত করা সম্ভব।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি প্রথম ব্যক্তি যিনি দলের ও একজন সরকার প্রধানের সামরিক সচিব এবং সাবেক মেজর জেনারেল পদমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে সরাসরি নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। এটা নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য পরম সৌভাগ্যর যে এতো বড় মর্যাদা সম্পন্ন নেতৃত্ব তাদের মাঝে এসেছেন। এটা তাদের গৌরবও বটে।তিনি এই জনপদের মানুষের সৌভাগ্য দূত হয়ে এসেছেন।এই জনপদের মানুষের উচিৎ দলমত নির্বিশেষে সকলের উর্ধ্বে উঠে সকল মতপার্থক্যে বা ভেদাভেদ ভুলে সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাকে বিজয়ী করা। কারণ তার মতো এত বড় মাপের পদমর্যাদা সম্পন্ন নেতৃত্ব এই জনপদের মানুষ আগামি একশ’ বছরেও পাবেন কি না তা ভাগ্যের বিষয়। এদিকে বিএনপির তৃণমূলের দাবি এই জনপদের মানুষ প্রয়াত কবির হোসেন পরিবারের বিকল্প কোনো নেতৃত্ব কখানো কোনো অবস্থাতেই কল্পনাও করে না।স্থানীয় বিএনপির তৃণমূলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ প্রয়োজনে স্বপক্ষ ত্যাগ করতে পারবে,কিন্ত্ত কোনো অবস্থাতেই প্রয়াতকবির হোসেন পরিবারের বিকল্প কোনো নেতৃত্ব মেনে নিবে না বলে শোনা যাচ্ছে।
জানা গেছে, রাজশাহী- ৩ আসনে ২টি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ২৪২। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ৫১০ ও নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৭২৯। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে তিনজন। এই আসনের নতুন ভোটারের সংখ্যা ৭ হাজার ৫৪২। এ আসনে সবচেয়ে বেশি ভোটার চরের বাসিন্দা ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর। মূলত তাদের ভোটেই জয়-পরাজয় নিশ্চিত হয় বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে তানোরের ২টি পৌরসভা ৭টি ইউনিয়ন (ইউপি) এবং গোদাগাড়ীর ২টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়নের (ইউপি) বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ নেতাকর্মী প্রকাশ্যে নাসির হোসেন অস্থির কে সমর্থন দিয়ে তার বিজয় নিশ্চিত করতে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এবিষয়ে নাসির হোসেন অস্থির জানান, দলের কিছু নেতা তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। কেন্দ্র বিষয়টি জানে। তিনি বলেন, দলের আদর্শিক ও মুলধারার নেতা এবং কর্মী-সমর্থকগণ তাকেই প্রার্থী হিসেবে চায়।#