1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

রাবি শিক্ষক মামুনকে অপসারণের দাবি বিভাগের শিক্ষার্থীদের

ফজলে রাব্বী পরশ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৩৮৯ বার পড়া হয়েছে

অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আব্দুল আল মামুনকে বিভাগ থেকে অপসারণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনে বিভাগের সামনে এ বিক্ষোভ করেন তারা।

বিগত ৬ বছর বিভাগের পরিচালক থাকা অবস্থায় বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও বর্তমান পরিচালককে জোরপূর্বক পদত্যাগ করতে বাধ্য করার অভিযোগও উঠেছে।

এসময় “এক দুই তিন চার মামুন তুই আইআর ছাড়”, “জেগেছে রে জেগেছে আইআর বাসী জেগেছে”, “এক দফা এক দাবি মামুন তুই কবে যাবি?”, “মামুনের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে”, “অ্যাকশন টু অ্যাকশন ডাইরেক্ট অ্যাকশন” এমনসব স্লোগান দেন তারা।

আন্তর্জাতিক বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী নওশিন ইসলাম বলেন, উনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ৬ বছর ধরে শিক্ষার্থীদের ওপর নানা রকম অনিয়ম অত্যাচার করে আসছে। বিভাগের সেশনজট, অর্থ কেলেঙ্কারি ও যৌন হয়রানির সাথে উনি জড়িত। বোরকা পরাকে সে পতিতাবৃত্তি বলেছেন। এরকম শিক্ষককে আমরা আমাদের বিভাগে চাই না। আমাদের বিভাগের না হয়েও সে থাকার জন্য নানা রকম তালবাহানা শুরু করেছে। আমরা উপাচার্য বরাবর একটি দরখাস্ত দিয়েছি কিন্তু এখনো কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি।

আরেক শিক্ষার্থী ওমর ফারুক তুফান বলেন, সে দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের বিভাগে অনিয়ম দুর্নীতি করে আসছে। উনি ইতিহাস বিভাগ থেকে আমাদের বিভাগে চেয়ারম্যান হয়ে আসছিল। তার আগেই চলে যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু সে অনিয়ম, দালালী করে থেকে গেছে। কিন্তু আমরা তাকে এই বিভাগে আর দেখতে চাইনা। আমরা চেয়ারম্যান স্যার কে গতকাল লিখিত অভিযোগ দিয়েছি কমিটি করার জন্য। আইআর বিভাগ থেকে তার অপসারণ চাই। তারপর কি করবে তা প্রশাসন ঠিক করবে।

বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী রাউফু ইসলাম ইতু বলেন, তার বিরুদ্ধে যে অবস্থান তৈরি হয়েছে তার জন্য সে নিজেই দায়ী। সে এই বিভাগে থাকলে সবাই বিপদে থাকবে। তার যখন মন চাচ্ছে যার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। আমাদের শিক্ষকরাও সেইফ না তার কাছে। ক্লাসে পড়ানোর নামে সে পারিবারিক গল্প করে। সে আমাদের সিনিয়রদের ছাত্রত্ব বাতিলের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছে। সে জুলাই বিপ্লবে খুনি হাসিনার পক্ষ নিয়েছে। ছাত্র হত্যার পক্ষে ফেসবুকে পোস্ট ও করেছে। আমরা আর তাকে এই বিভাগে দেখতে চাই না।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com