1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নাহিদের জোড়া আঘাত, পাওয়ার প্লেতে নিউজিল্যান্ডকে চাপে রেখেছে বাংলাদেশ মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪টি নির্দেশনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অ*ভি*যা*নে ‌দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’ফ’তা’র কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

​লোকালয়ে আসা ‘মায়াবী’র নিরাপদ প্রত্যাবর্তন: সুন্দরবনে ফিরল দুই হরিণ

​এস এম এ রউফ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে
প্রমত্তা সুতারখালী নদী পেরিয়ে লোকালয়ে চলে এসেছিল একটি মায়াবী হরিণ। তবে এলাকাবাসীর সচেতনতা আর বন বিভাগের দ্রুত পদক্ষেপে কোনো বিপদ ঘটার আগেই প্রাণিটি ফিরে পেয়েছে তার চিরচেনা আবাসস্থল। শুধু তাই নয়, এর আগের দিন শিকারির পেতে রাখা মরণফাঁদ থেকেও উদ্ধার করা হয়েছে আরও একটি হরিণ। ​বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে সুন্দরবন থেকে একটি মায়াবী হরিণ সুতারখালী নদী সাঁতরে খুলনার কয়রা উপজেলার কালাবগী লোকালয়ে চলে আসে। বন্যপ্রাণিটি নজরে আসতেই স্থানীয় বাসিন্দারা বন বিভাগকে খবর দেয়।
সংবাদ পেয়ে খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ শরিফুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় হরিণটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সেটিকে হড্ডা টহল ফাঁড়ির পার্শ্ববর্তী গহীন অরণ্যে অবমুক্ত করা হয়।
এর আগে বুধবার সকালেও সুন্দরবনের হড্ডা খাল এলাকায় টহল দেওয়ার সময় শিকারির পেতে রাখা ফাঁদে আটকা পড়া একটি হরিণ উদ্ধার করেন নলিয়ান স্টেশন কর্মকর্তা মোবারক হোসেন। হরিণটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বনে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযান চলাকালীন পাটাকাটা এলাকা থেকে হরিণ শিকারের ২০টি ‘সিটি ফাঁদ’ জব্দ করে বন রক্ষীরা। “খবর পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হরিণটি উদ্ধার করি। সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় আমাদের এই তৎপরতা নিয়মিত পাহারার অংশ। আমরা হরিণটিকে সুস্থ অবস্থায় বনে ফিরিয়ে দিতে পেরেছি।” > — মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহকারী বন সংরক্ষক, খুলনা রেঞ্জ।
এসিএফ শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে উদ্ধার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি রেঞ্জার মোবারক হোসেন, হড্ডা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ বিল্লাল হোসেন এবং স্থানীয় আঃ মান্নান ও রহিম সরদারসহ বন বিভাগের সদস্যরা। স্থানীয়দের এমন দায়িত্বশীল ভূমিকা ও বন বিভাগের দ্রুত সাড়া প্রদানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পরিবেশবাদীরা। সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এজেডএম হাছানুর রহমান জানান, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় বন বিভাগের এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com