বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ভিতর কিশোরগঞ্জ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে তাড়াইল উপজেলায় তীব্র শীতে দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষের অনেক কষ্ট হচ্ছে।
শ্রম বাজারে গিয়ে দেখা যায় শ্রমিকরা জমে যাচ্ছে শীতে।
তাজুল ইসলাম নামের একজন শ্রমিকের সাথে কথা বলে জানা যায়,
শীতে পানির কাজ করতে খুবই কষ্ট হয়।
পরিবারের মুখে ভাত তুলে দেয়ার জন্যই এই শীত বের হয় কাজের জন্য।
৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা রুজে কাজ জুটের তাড়াইল বাজারে।
এরকম শত শত শ্রমিক তাড়াইল শ্রম বাজারে, প্রতিদিন সকালেই আসে।
তরুণ থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ সবাই কাজের সন্ধানে এখানে আসে কাজ জোগাড়ের জন্য।
অনেকে কাজ পেল অনেকে নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হয়।
একইভাবে বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের কষ্টে দিন কাটছে শীতের কারণে।
শেষ করে রিকশাওয়ালা, অটোওয়ালা, কৃষকদের অবস্থা আরো খারাপ।
হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে।
ডাক্তার কম থাকায়, ইমারজেন্সিতে রোগীর চাপ বেড়েছে।
তাড়াইল উপজেলা ৫০ শয্য হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় ইমার্জেন্সিতে লোকের ভিড়।
ঠান্ডা জড়িত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু বৃদ্ধ ও মহিলারা।
এ ব্যাপারে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা,
ডাক্তার অতিস দাস রাজীব: দেশ বুলেটিন কে বলে, শিশু বয়স্ক এবং মহিলাদেরকে সবসময় গরম কাপড় নিয়ে বাহিরে বের হওয়ার জন্য বলেছেন। একই সাথে কুসুম গরম পানি ব্যবহারে উৎসাহিত করেছেন। এবং ঠান্ডা পানি এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রতিদিনই প্রচুর রোগী ঠান্ডা জড়িত রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য আসছেন।
এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
তীব্র শীত তাই অনেকে আগুন পোহাতে বিভিন্ন জায়গায় আগুন ধরিয়ে গরম থাকার চেষ্টা করছেন।
গরম খাবারের দোকানগুলোতে প্রচুর পরিমাণ ভিড় লেগেই আছে।