1. infoobayedcommunicationit@gmail.com : obayed it : obayed it
  2. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
  3. bot@local.invalid : Service Bot :
  4. infoobayed@gmail.com : infoobayed :
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Najlepsze kasyna online w Polsce 2026: jak zdobyć atrakcyjne bonusy powitalne? শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে ব্যালট পেপার হিসেবেও মূল্যায়ন করেনি: ডা. জাহেদ আত্রাইয়ে তিন দিন নিখোঁজ নারীর মরদেহ উদ্ধার কেন্দুয়ায় যোগ দিয়েই নতুন ইউএনও সানজিদা চৌধুরী: ‘প্রশাসক নয়, সেবক হয়ে কাজ করতে চাই’ হামে আক্রান্ত মৃত শিশুদের ৮২ শতাংশই পূর্ণাঙ্গ বুকের দুধ পায়নি কাউখালীতে সেরা তিন মৎস্য উদ্যোক্তাকে সম্মাননা নীলফামারীতে ট্রেনে কাটা পড়ে শিবচরের যুবক নিহত শিক্ষার আলো ছড়িয়ে অমর হয়ে আছেন মফিজ উদ্দিন তালুকদার ফরিদপুরে জমকালো আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কসবায় শিক্ষার মানোন্নয়ন, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে সেমিনার

শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনের পাঠক কর্ণারে নতুন করে ৫৩ বই

দেওয়ান মাসুকুর রহমান 
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উদ্যোগে এসব বই দেওয়া হয়।
পৌরসভার পাশাপাশি শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের শিক্ষক ও ‘উত্তরণ’ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা মো. সাইফুল ইসলাম এবং শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য ইসমাইল মাহমুদ পাঠক কর্ণারের জন্য বই দিয়েছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. জিয়াউর রহমান, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল, শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাখাওয়াত হোসেন।
শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উদ্যোগে গত বছরের ৩০ অক্টোবর স্টেশনে পাঠক কর্ণারটি স্থাপন করা হয়। তবে বছর না ঘুরতেই সেখানকার সব বই উধাও হয়ে যায় অর্থাৎ বইপ্রেমী কোনো পাঠক হয়তো তা নিয়ে গেছে। অবশ্য এ নিয়ে কারো কোনো অনুযোগ নেই।
এরপর আরও তিন দফায় বই রাখা হলেও প্রতিবারই পাঠকরা বই নিয়ে ট্রেনে উঠে পড়েন। একপর্যায়ে আবারও বইশূন্য হয়ে যায় পাঠক কর্ণার।
এবার চতুর্থ দফায় নতুন করে ৫৩টি বই রাখা হলো। পাঠক কর্ণারে শিশুতোষ, সাহিত্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি, বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ের বই রয়েছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রী, পথচারী ও স্থানীয় মানুষ যাতে অবসর সময়ে বই পড়ার সুযোগ পান, সেই লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মানুষের মধ্যে আবার বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হোক, সেটাই তারা চান।
তিনি বলেন, বই পড়ে পাঠকরা যেন তা যথাস্থানে রেখে যান। বই নিয়ে গেলে অন্য একজন পাঠক বই পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com