স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত সরকারি রাস্তার ওপর স্থাপনা নির্মাণের ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। রাস্তাটি কাশীপুর কলেজ মোর হতে মাঝিটারী পর্যন্ত প্রায় ১.৫ কি.মি বিস্তৃত যেখানে প্রতিদিন গড়ে দেড় থেকে দুই হাজার মানুষের যাতায়াত। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের চলাচলে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে সরকারি রাস্তা দখলমুক্ত করা হোক। গত কয়েকদিন আগে তার আপন বড় ভাই শ্রী হরি দাস কে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এই বিষয়ে অভিযোগ করলে উনি রাজেন্দ্রনাথ কে বলতে গেলে বেশ কথা কাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে হরিদাসের শরীরে হাত তোলেন বলে এলাকাবাসীর কাছে অভিযোগ পাওয়া যায়। অন্যদিকে প্রতিবেশী মোঃ শফিকুল ইসলাম,পিতা মোঃ জয়নাল উদ্দিন রাস্তার বিষয়ে কথা বলতে গেলে তার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে তেড়ে আসেন।
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, একাধিকবার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনার চেষ্টা করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাদের দাবি। এই বিষয়টি নিয়ে কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুজ্জামান মানিক এর সাথে কথা বললে উনি জানায়, ভবন নির্মাণের সময় গ্রাম পুলিশ মারফত বাঁধা প্রদান করা হয় এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের একাধিকবার নিষেধ অমান্য করে এই ব্যক্তি ভবন নির্মাণ করেন। যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এলাকাবাসীর সাথে প্রায়ই ঝগড়াঝাটির মত ঘটনা ঘটছে বলে তদন্ত সাপেক্ষে জানা যায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শ্রী রাজেন্দ্রনাথের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি রাস্তা জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি রাস্তা দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নজির রয়েছে।