বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক ৩বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি।
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তার অবদান ছিল অপরিসীম। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিতে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি’র নেতৃত্বের অপূর্ণীয় ক্ষতি হলো। আমি যতটুকু জানি বেগম খালেদা জিয়া স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিলেন না। সাবেক রাষ্ট্রপতি মরহুম জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পর স্ত্রী খালেদা জিয়া ও দুই পুত্র কোকো ও তারেক রহমানকে এতিম করে রেখে যান। জীবন যুদ্ধ করে সংগ্রাম করে টিকে থাকেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সারা জীবন অধিকার নিয়ে সংগ্রাম করেছেন। তিনি কারো কাছে মাথা নত করেননি এবং আধিপত্যবাদের সাথে আপোষ করেননি। দেশের মানুষকে তিনি ভালবাসতেন। দেশের মাটিকে তিনি ভালোবাসতেন। দেশ ছেড়ে কখনো বিদেশে চলে যেতে চাননি। তার মতো দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ আমরা আর পাব না। তারেক রহমান পৃথিবী ভালো করে বুঝে ওঠার আগেই বাবাকে হারান। পরে ভাইকে হারান। ৩০-১২-২০২৫ইং তারিখে ভোর ছয়টার দিকে স্নেহমহী মাকে হারান। এত বড় একটা রাজনৈতিক দলের চেয়ারম্যান আজ এই ধরণীতে এতিমের মত পৃথিবীর নিয়মের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করে অশ্রুসিক্ত চোখে টলটল করে চোখ বেয়ে পানি পড়ছে। আপন বলতে তার আর কেউ নেই। সবকিছুর অভাব পূরণ হলেও মায়ের অভাব এই পৃথিবীতে কোনো কিছু দিয়ে পূরণ হবার নয়। অতঃপর এই পৃথিবীতে তারেক রহমান আজ থেকে এতিম। একজন রাষ্ট্রনায়কের বিদায়ে যেমন রাজনীতির অঙ্গন ভারাক্রান্ত, তেমনি সংস্কৃতি জগৎ হারাল এক ইতিহাসের সাক্ষী কে। খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ চলা, সংগ্রাম ও নেতৃত্ব বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি’র চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা আগামীকাল বুধবার বাদ যোহর ৩১শে ডিসেম্বর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে। জানাযার শেষে তার মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলের পাশেই দাফন করা হবে। আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন—- আমিন