(যুবরাজ হাওলাদার, খুলনা জেলা বিশেষ প্রতিনিধি) সুন্দরবনে গোল-কানন রিসোর্ট মালিকসহ ৩জন কে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা।তাদের মধ্যে দুজন পুরুষ পর্যটক।
সুন্দরবনের অভ্যন্তরে রিসোর্ট মালিকসহ তিন জনকে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা। সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের চামারী স্টেশনের গাগরামারী টহল ফাঁড়ি সংলগ্ন কেঁওয়ার খালের মুখ থেকে তাদেরকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বনদস্যুরা। শুক্রবার বিকেলে বনের ভিতরের খালে এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। অপহৃত তিনজনের একজন গোলকানন রিসোর্ট মালিক অপর দুই পর্যটক ঢাকার বাসিন্দা।
এদিকে রিসোর্ট মালিক সংগঠনের নেতারা অপহৃত রিসোর্ট মালিকসহ দুই পর্যটককে ছাড়িয়ে আনতে বনদস্যুদের সঙ্গে দেনদরবার চালাচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। বনবিভাগ ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার নারী-পুরুষসহ ৪ পর্যটক ঢাকা থেকে সুন্দরবনে ঘুরতে আসেন। ওইদিন দুপুরে তারা সুন্দরবনের ঢাংমারী এলাকায় অবস্থিত রিসোর্ট ‘গোলকানন’ এ ওঠেন। পরে বিকেলে গোলকাননে ওঠার পরে রিসোর্ট মালিক শ্রীপতি বাছাড় ৪ পর্যটক বোটে করে বনের কেনুয়ার খালের মধ্যে করতে যান রিসোর্ট সংলগ্নই খাল হতে, ৫ জনকে অপহরণ করেন বনদস্যুরা।
ঐদিন রাতে তুই নারী পর্যটককে রিসোর্টে ফিরিয়ে দেন তবে রিসোর্ট মালিক ও দুই পুরুষ পর্যটককে জিম্মি করে বনদস্যুরা,জিম্মি করা মালিকও দুজন পর্যটক এর কাছে মোটা অংকের মুক্তিপণ দাবি করেছেন বনদস্যুরা
এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রিসোর্ট মালিকের ছোট ভাই উত্তম বাছাড়।এদিকে ঘটনা শুনেছেন বলে জানিয়েছেন বনবিভাগের ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা সুরজিৎ চৌধুরী। তবে কোন বনদস্য বাহিনী, অপহরণ করেছেন তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি তিনি।
তবে পুলিশের দেয়া তথ্য মতে, অপহরণ হয়েছে যে দুই পর্যটক তাদের নাম হলো মোঃ সোহেল মোহাম্মদ জনি এবং রিসোর্ট মালিক শ্রীপতি বাছাড়।খুলনার দাকোপ থানা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুর রহমান বলেন অপহৃত রিসোর্ট মালিক ও দুজন পর্যটকে থানা পুলিশ, নৌ পুলিশ কোস্টগার্ডের, উদ্ধার বিষয়ে তৎপরতা চলছে জানিয়েছেন।