1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রেশম গোটা বাংলাদেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মাগুরার আমিনুর রহমান কলেজে সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন বগুড়ায় সয়াবিন তেল অধিক মূল্য বিক্রির অপরাধে মন্ডল ট্রেডার্সসহ ছয় বিক্রিতার জরিমান ঝিনাইদহে তীব্র জ্বালানি সংকট: চরম ভোগান্তিতে পেশাজীবীরা, সমাধানে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা ধামইরহাটে কেজি স্কুলের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার দিলেন- এমপি এনামুল হক নেত্রকোনা সড়ক পরিবহন বাস মালিক সমিতির নবযাত্রা ধামইরহাটে সমতলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সুফলভোগীদের মাঝে ছাগল বিতরণ বেরোবিতে ১২ এপ্রিল থেকে শুরু শহীদ আবু সাঈদ বইমেলা-২০২৬ নবাবগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়ন ও কৃষি প্রণোদনা উপকরণ বিতরণ মাদক ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে মন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি নেত্রকোনায় আধুনিক টার্মিনাল ও উন্নত যাত্রীসেবার প্রতিশ্রুতি

হরমুজে পাতা মাইন নিজেই খুঁজে পাচ্ছে না ইরান!

Desk report
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

নিজেদের পাতা নৌ-মাইনের অবস্থান বের করতে না পারায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে পারছে না ইরান। একই সঙ্গে পাতা মাইনগুলো দ্রুত অপসারণের সক্ষমতাও দেশটির নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

নিউ ইউর্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থাকা সত্ত্বেও প্রণালিপথ দিয়ে বেশি জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে পারছে না তেহরান। একই বিষয়টি পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনাতেও সামনে আসতে পারে।

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা শুরুর পরপরই ছোট নৌযান ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালিতে মাইন পেতে দেয় ইরান। এসব মাইনের পাশাপাশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় তেলবাহী ট্যাংকারসহ অন্যান্য জাহাজের চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যায় এবং যুদ্ধের সময় এটি ইরানের জন্য বড় কৌশলগত হাতিয়ার হয়ে ওঠে।

তবে পুরো প্রণালি বন্ধ না করে ইরান একটি নির্দিষ্ট পথ খোলা রেখেছে, যেখানে নির্ধারিত ফি দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে পারছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সতর্ক করে বলেছে, যেকোনো সময় জাহাজ নৌমাইনের সঙ্গে ধাক্কা খেতে পারে। এমনকি আধা-সরকারি গণমাধ্যমগুলো নিরাপদ নৌপথের মানচিত্রও প্রকাশ করেছে।

কিন্তু মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরান এলোমেলোভাবে মাইন বসানোয় নিরাপদ পথ খুব সীমিত হয়ে গেছে। কোথায় কোন মাইন বসানো হয়েছে, তার সঠিক রেকর্ড ইরানের কাছে নেই বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

এমনকি যেগুলোর অবস্থান জানা ছিল, সেগুলোর কিছু পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে স্থান পরিবর্তন করেছে। স্থলমাইনের মতোই নৌমাইন অপসারণ করা অত্যন্ত জটিল কাজ। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কাছেও উন্নত মাইন অপসারণ সক্ষমতা নেই; তারা মূলত মাইনসুইপিং প্রযুক্তিসম্পন্ন লিটোরাল কমব্যাট জাহাজের ওপর নির্ভরশীল। ইরানের ক্ষেত্রেও একই সীমাবদ্ধতা রয়েছে—তারা নিজেদের পাতা মাইন নিজেরাই দ্রুত সরাতে পারছে না।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে হরমুজ প্রণালিকে ‘সম্পূর্ণ, তাৎক্ষণিক ও নিরাপদভাবে’ খুলে দিতে হবে।

এর জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ‘প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রেখে’ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য খোলা থাকবে। মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই ‘প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা’ বলতে মূলত মাইন খুঁজে বের করা ও অপসারণের অক্ষমতাকেই বোঝানো হয়েছে।

বর্তমানে আরাগচি ইসলামাবাদে অবস্থান করছেন, সেখানে আজ শনিবার তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। ট্রাম্প প্রশাসনের চাপের মুখে প্রণালিপথ কত দ্রুত নিরাপদ করা যাবে, সেটিই আলোচনার প্রধান ইস্যু হতে পারে।

যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌবাহিনীকে দুর্বল করতে একাধিক জাহাজ ডুবিয়ে দেয় এবং নৌঘাঁটিতে হামলা চালায়। তবে ইরানের শত শত ছোট নৌযান রয়েছে, যেগুলো দিয়ে তারা সহজেই জাহাজ আটকানো বা মাইন পাতা চালিয়ে যেতে পারে। এসব ছোট নৌযান পুরোপুরি ধ্বংস করা মার্কিন বাহিনীর জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মাইন পাতা শুরুর আগেই ইরানের নেতাদের হুমকিতে বৈশ্বিক জাহাজ চলাচলে প্রভাব পড়ে এবং তেলের দাম বেড়ে যায়। গত ২ মার্চ বিপ্লবী গার্ডের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ঘোষণা দেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ এবং কোনো জাহাজ ঢুকলে তা ‘আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হবে।’

এর পরপরই ইরান মাইন পাতা শুরু করে, যদিও তখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌ সক্ষমতার ওপর হামলা জোরদার করেছিল। সেই সময় মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, ইরান খুব দ্রুত বা দক্ষতার সঙ্গে মাইন বসাতে পারছে না।

ছোট নৌযান দিয়ে এসব মাইন বসানোয় সেগুলোর সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে প্রণালিতে মোট কতটি মাইন রয়েছে বা সেগুলো কোথায় রয়েছে—তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

নলডাঙ্গায় ২ দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন নাটোরের নলডাঙ্গায় ৪৭ তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে ২ দিনব্যাপি বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ মেলায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও মেধার পরিচয় তুলে ধরে। মেলায় বিভিন্ন স্টলে শিক্ষার্থীদের তৈরি বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবন প্রদর্শন করা হয় যা দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে। এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বুধবার ( ৮ এপ্রিল) উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তত্বাবধানে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরের পৃষ্ঠপোষকতায় এ মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান চর্চা ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই ধরনের মেলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনে চিন্তা ও কাজের বিকাশ ঘটাতে পারবে। যদি তাদেরকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন ও এ কাজে উৎসাহ দেওয়া যায়। তাহলে তারাই দেশের একদিন শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে। ফলে এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান চর্চার আগ্রহ বাড়াতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাধারায় এগিয়ে যেতে হবে। বিজ্ঞান ছাড়া একটি দেশের সফলতা আসতে পারেনা। যারা সফল হয়েছে তারা বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাধারা থেকেই সফল হয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আল এমরান খাঁন এর সভাপতিত্বে এ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, মোঃ আশিকুর রহমান ( ভূমি), কৃষি অফিসার মোঃ সবুজ আলী, প্রকৌশলী মোঃ হারুনুর রশিদ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইদুর রহমান, সমাজ সেবা অফিসার মোঃ সুমন সরকার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম বুলবুল সহ প্রমূখ

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com