চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রতিটি উপজেলায় টানা ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে ঘন কুয়াশা থাকার কারণে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা।
ভোর থেকে সকাল ১১ টা অবধি জেলার সড়ক, মাঠ, ঘাট ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে। এতে দৃষ্টিসীমা মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় রাস্তা গুলোতে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। ঝুঁকি এড়াতে অনেক যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে।
টানা কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে অনেক মানুষ সকালে স্বাভাবিক সময়ে কাজে যেতে পারছেন না। শীত নিবারণের জন্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মানুষকে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বেশকয়েক দিন ধরে হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শিশু, নারী ও বৃদ্ধরা। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে তাদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে সর্দি, কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। বিশেষ করে দুস্থ ও নিম্নআয়ের মানুষ এসব রোগে বেশি ভুগছেন।
বিশেষ করে নাচোল উপজেলার এলাইপুর মধ্যবাজারে শীতের তীব্রতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এখানে খড়কুটো জ্বালিয়ে সকল বয়সের মানুষ আগুন পোহাতে ব্যাকুল হয়ে থাকে।
এদিকে জেলা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ বিভিন্ন হাসপাতালে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর ভিড় বাড়ছে।
নাচোল উপজেলা শাখা মানবাধিকারের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হেলাল উদ্দীন বলেন, ঘন কুয়াশায় দূর্ঘটনা এড়াতে সকল প্রকার চালককে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে