1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রূপগঞ্জে ১,১০৭ বোতল স্ক্যাপ সিরাপ উদ্ধার, মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মাননীয় মন্ত্রী, ভালো উত্তর দিতে পারলে আপনিও জান্নাতে যেতে পারবেন: স্পিকার গৃহস্থলী প্রদর্শনী পুকুরে উপকরণ বিতরণ করেছে শিবগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অফিস উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ সিরাজগঞ্জে বিদ্যুৎহীন ‘সলঙ্গা কেন্দ্রীয় গণপাঠাগার’ বেরোবির কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন পরিস্থিতি যেমনই হোক ইরান আত্মসমর্পণ করবে না: গালিবাফ জ্বালানি খাতে তুরস্কের বিনিয়োগকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ পানি না নামা পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল চলাচল বন্ধ থাকবে এবার স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বন্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের

হাতিয়ায় সন্তানের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ না পেয়ে কৃষক দল নেতার সংবাদ সম্মেলন

নজির আহমদ হাতিয়া নোয়াখালী
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৭৩ বার পড়া হয়েছে
মাটি কাটার মেশিনে চাপা পড়ে মারা যায় এক শিশু। মেশিনের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত শরীরের বিভিন্ন অংশ। অভিভাবকদেরকে সন্তানা দিতে নেওয়া হয় হাসপাতালে। এর অনেক আগেই মৃত্যু হয় তার। মৃতদেহ বাড়ী পোঁছার আগে আসে সমঝোতার প্রস্তাব। এক রকম জোরপূর্বক সমঝোতাও করা হয়। বিনিময়ে নির্ধারণ করা হয় মোটা অঙ্কের টাকা। এক বছর পরে সে টাকা চাইতে গেলে দেওয়া হয় প্রাণনাশের হুমকি। নিজ দলের নেতাদের এধরণের আচরণে বাকরুদ্ধ কৃষকদল নেতা সেলিম উদ্দিন মাঝি। নোয়াখালীর হাতিয়ায় বুড়ির ইউনিয়নের কালিরচর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
 ২৮ ডিসেম্বর রবিবার সকালে উপজেলা মুক্তিযোদ্বা ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন বুড়িরচর ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড কৃষকদল সিঃ সহসভাপতি সেলিম মাঝি।
সংবাদ সম্মেলনে সেলিম মাঝি অভিযোগ করে বলেন, এক বছর পূর্বে মাটি কাটার মেশিনে (এস্কেভেটর) চাপা পড়ে নিহত হয় ইয়াসিন আরাফাত (১১)। তাৎক্ষনিক খবর পেয়ে আমার ছোট ভাই কালাম ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন ইয়াসিনকে মেরে মাটি চাপা দেওয়া হচ্ছে। তার চিৎকারে মাটি না দিয়ে তাকে উপজেলা হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে আমার ছেলের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ডাক্তার। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৫ সালের মার্চ মাসে।
তিনি আরো বলেন, আমার ছেলের মৃদদেহ বাড়ী পৌঁছার আগে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কাফি ফরাজীর নেতৃত্বে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী আমার বাড়ী এসে সমঝোতার প্রস্তাব দেয়। এক পর্যায়ে তিন লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সমঝোতা হয়। তাতে আমার ছেলের দাফন সম্পন্ন হয়। এরপর একাধিক বার শালিসদারদের কাছে টাকা চাওয়ার পরে পাওয়া যায় নি। গত এক সপ্তাহ ধরে কয়েক বার আমি কাফি ফরাজীর কাছে গেলে তিনি আমার সাথে দুর্ব্যবহার করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে সেলিম মাঝি কান্না বিজড়িত কন্ঠে বলেন, আমি একজন কৃষকদলের নেতা হয়েও আমি আমার দলের কাছে সুবিচার পায় নাই। শালিসদার প্রধান কাফি ফরাজী তাদের নির্ধারণ করা ক্ষতি পূরণের জন্য যতবারই যাই তিনি আমাকে অপদস্ত করেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com