1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয় ইরান’ সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান

হাতীবান্ধা গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বড়খাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

লুৎফর রহমান  
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে
প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বড়খাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০২৬ (বালক দল)। এই সাফল্য শুধু একটি খেলাধুলার অর্জন নয়, বরং পুরো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক উন্নয়ন ও শৃঙ্খলার প্রতিফলন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার মাননীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান। তিনি জয়ী দলের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি ভবিষ্যতে এই শিক্ষার্থীরা আরও বড় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাসুদ আক্তার কল্পনার দক্ষ নেতৃত্বে বিদ্যালয়টি বর্তমানে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রধান শিক্ষিকা বলেন আমরা মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে তার মূল্যবান উপস্থিতি ও উৎসাহব্যঞ্জক বক্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানাই।
জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার মধ্যে এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। এর অন্যতম কারণ হলো বিদ্যালয়ের সুশৃঙ্খল পরিবেশ, মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষকদের আন্তরিকতা।
বিদ্যালয়টির বিশেষ কিছু ইতিবাচক দিক হলো—
প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত ডায়েরি ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে তাদের দৈনন্দিন পড়াশোনা, উপস্থিতি ও আচরণ লিপিবদ্ধ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ইউনিফর্ম বা পোশাক-আশাকের প্রতি কঠোর নজর রাখা হয়, যা শৃঙ্খলা ও সমতা বজায় রাখতে সহায়ক।
কোনো শিক্ষার্থী নিয়মিত স্কুলে না এলে শিক্ষকেরা তার বাসায় খোঁজখবর নেন, প্রয়োজনে অভিভাবকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করেন।
সহশিক্ষা কার্যক্রম যেমন খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করা হয়।
এই সব কার্যক্রমের মাধ্যমে বিদ্যালয়টি শুধু পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক শিক্ষা নয়, বরং একজন আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সব মিলিয়ে বড়খাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই অর্জন এবং তাদের সার্বিক কার্যক্রম অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com