1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুরা বাকারার ২৯ নম্বর আয়াত আমল করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী সমালোচনার মুখে নিজেকে ‘লুকিয়ে’ ফেললেন আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের রেফারি বন্ধ কলকারখানা চালু করে ফের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী রূপগঞ্জে ১,১০৭ বোতল স্ক্যাপ সিরাপ উদ্ধার, মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মাননীয় মন্ত্রী, ভালো উত্তর দিতে পারলে আপনিও জান্নাতে যেতে পারবেন: স্পিকার গৃহস্থলী প্রদর্শনী পুকুরে উপকরণ বিতরণ করেছে শিবগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অফিস উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ সিরাজগঞ্জে বিদ্যুৎহীন ‘সলঙ্গা কেন্দ্রীয় গণপাঠাগার’ বেরোবির কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন পরিস্থিতি যেমনই হোক ইরান আত্মসমর্পণ করবে না: গালিবাফ

কোটি টাকার ‘ফগ লাইট’ অন্ধকারেই, কুয়াশায় অচল দৌলতদিয়া

ইলিয়াছ শাহেদ গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে
ঘন কুয়াশার মধ্যেও নৌপথ সচল রাখার লক্ষ্যে দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌরুটে কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত আধুনিক ‘ফগ লাইট’ ব্যবস্থা এখন কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। বাস্তবে এসব ফগ লাইট কার্যত অচল হয়ে পড়ায় কুয়াশা নামলেই থমকে যাচ্ছে ফেরি চলাচল। সর্বশেষ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত টানা প্রায় ৯ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তির শিকার হন হাজারো যাত্রী ও পণ্যবাহী যানচালক।
সরেজমিনে দেখা যায়, কুয়াশার মধ্যে নৌপথে দিকনির্দেশনার জন্য স্থাপিত একাধিক ফগ লাইটে আলো জ্বলছে না, কিছু লাইট আবার দীর্ঘদিন ধরেই নষ্ট অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অথচ কয়েক বছর আগে এই নৌপথে ফগ লাইট স্থাপনে ব্যয় হয় বিপুল সরকারি অর্থ। স্থানীয়দের প্রশ্ন—যদি কুয়াশার সময়ই এই লাইট কাজ না করে, তবে কোটি টাকা ব্যয়ের যৌক্তিকতা কোথায়?
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার প্রধান সড়ক যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দু দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌপথে প্রতিদিন কয়েক হাজার যানবাহন পারাপার হয়। ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলেই সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকা বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়িতে থাকা যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েন।
অভিযোগ উঠেছে, ফগ লাইট স্থাপনের পর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও কার্যকারিতা যাচাইয়ে বিআইডব্লিউটিসির সংশ্লিষ্ট দপ্তরের চরম উদাসীনতা রয়েছে। কুয়াশা পড়ার আগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি না নেওয়ায় প্রতি বছর শীত মৌসুমে একই চিত্রের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নৌযান চালক বলেন, “ফগ লাইট ঠিকভাবে কাজ করলে কুয়াশার মধ্যেও সীমিত পরিসরে হলেও ফেরি চালানো সম্ভব। কিন্তু বেশিরভাগ লাইটই নষ্ট থাকায় ঝুঁকি নিয়ে ফেরি চালানো যায় না।”
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার অজুহাতে ফেরি চলাচল বন্ধের কথা বললেও কোটি টাকার ফগ লাইট অকার্যকর থাকার দায় এড়াতে পারছে না। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, ফগ লাইট প্রকল্পে ব্যয়, রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
অন্যথায়, কোটি টাকার প্রকল্প কেবল ‘লোক দেখানো’ উদ্যোগ হয়েই থেকে যাবে, আর প্রতি শীত মৌসুমে দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌপথে সাধারণ মানুষকেই গুনতে হবে অব্যবস্থাপনার চরম মাশুল।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com