1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিপৎসীমার কাছাকাছি তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচের সব রেফারিই আর্জেন্টিনার ইরাকে খামেনির শোক মিছিলে ২৩ লাখের বেশি মানুষের অংশগ্রহণ জুলাইযোদ্ধা হওয়ার প্রায় ২০০টি আবেদনই ভুয়া বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত ভূমিহীনদের মাঝে খাস জমি বরাদ্দ দিতে সংসদ সদস্যদের কাজ করার পরামর্শ স্পিকারের ‘আওয়ামী লীগের একটি অর্গানকেও ফাংশন করতে দেওয়া হবে না’: আবিদুল ইসলাম মাদকের পক্ষে দলের নেতারা তদবির করলে তাদেরসহ গ্রেপ্তার করা হবে: খায়রুল কবির ধামইরহাটে যাত্রী ছাউনি থেকে মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জেলা সমন্বয় কমিটির সভা

আইএবি-জামায়াত-খেলাফতভুক্ত 11 দলীয় জোট যথেষ্ট কার্যকর নয় -কারণ

Md Necar Uddin
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে
১. এই জোটের মধ্যে প্রধান দল কোনটি? এটা বলতে দলগুলোর মধ্যে দ্বিধা কাজ করছে। জামায়াত মনে করছে তারা অতীতে বিএনপির সাথে সরকার গঠন করছে। তাদের অভিজ্ঞতা আছে। তারা এই নির্বাচনে এককভাবে অন্তত ১৫০ সিট পাবে। তারা বড়ো দল। তারা অন্যের নেত্রিত্বে আসবে কেন? অন্যরা তাদের নেত্রীত্বে চলবে। তারা আসন ভাগের ক্ষেত্রে নিজেদের জন্য রেখে বাকীগুলো ভাগ করে দেবে।  তারা মনে এমনও মনে করে- চরমোনাইওয়ালারা পুরো দেশে ২টা সিটও পাবে না। পুরো দেশে তাদের ভোটারও নাই। চরমোনাইকে তারা যা দেবে সেটাও বেশি৷ এতে চরমোনাই’র তৃপ্তি থাকা উচিৎ।
২. আবার জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট বললে আইএবিসহ অনেকের আত্মসম্মানে লাগে। ‘জোট’ শব্দেও অনেকের আপত্তি। বলতে হবে ‘সমঝোতা’। এত ছুঁৎমার্গ নিয়ে তো একই প্লাটফর্মে কাজ করা যায় না। এরকম কাজ করলে সাধারণ ভোটার মুখ ফিরিয়ে নেয়। তারা আবার মনে করে- জামায়াতের যে ভোট তা দিয়ে জামায়াত তাদের ছাড়া ২০ আসনও পবার সম্ভাবনা নাই। তাদেরকে জামায়াতের লাগবেই।  চরমোনাই’র ভোটার ছাড়া- জামায়াতের অবস্থা শোচনীয়।
৩.  এনসিপি এটাকে আদর্শিক জোট বলতে নারাজ। আদর্শিক জোট না নির্বাচনী জোট, এসব শব্দগত জড়তা ত্যাগ করতে না পারলে ভোটের আগে পরস্পরকে কাছে পাওয়া কঠিন হবে। নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে এসব পার্থক্য তুলে ধরলে তেমন সমস্যা নেই। নির্বাচনের আগেই এসব নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়লে এনসিপি-প্রার্থীর পক্ষে জামায়াতের কর্মীরা এবং জামায়াত-প্রার্থীর পক্ষে এনসিপির কর্মীরা মন খুলে নামতে পারবে না।
৪. শরীকদের অন্যান্যদের মধ্যে কিছু আছে ক্বওমীপন্থি: তারা এখনো নীরব। তারা জামায়াতের পক্ষেও কোনো কথা বলছে না; চরমোনাই’র পক্ষ হয়েও কথা বলছে না। তাদের যেহেতু একটা অংশ সাপোর্ট করে; তারা কনফিউজড ১১দলীয় জোট কী আসলেই হচ্ছে? নাকি হচ্ছে না! এ নিয়ে।  তারা যেহেতু অতীতে বিএনপির জোটে ছিলো; তাই বিএনপিপ্রেম তারা এখনো ছাড়তে পারেনি৷ তারা চিন্তায় আছে- যা হবার হোক; ধানের শীষেই ভোট দেব৷ যদি আসন সমাঝোতা হয় হবে অথবা না হোক।
৫. চরমোনাই-জামায়াত এখনো মাঠপর্যায়ে সক্রিয়। তাদের মাঠের কর্মীদের মধ্যে এখনো একদল অন্যদলের প্রতি ভীষণ প্রতিক্রিয়াশীল। এখনো তারা একে অপরের বিরুদ্ধে সুযোগ পায়লেই বিদ্বেষমূলক আচরণ হাতছাড়া করে না। অনেকে এখনো জর্দা, পানখোর বলে পীরসাহেবকে গালি দেয়। আবার চরমোনাইপন্থিরাও- জামায়াতকে সুযোগ পায়লে; মওদুদীজামায়াত, চুমু শফিক বলে তিরস্কার করে। এই দুটো দল দুইটা মেরুর।  সাধারণত গণতন্ত্রীপন্থি আওয়ামিলীগ-বিএনপির মতো তারাও ইসলামপন্থি চরমোনাই-জামায়াত বিরোধীতা জিয়ে রাখে। এই দুই মেরুর দুই দলের কখনোই মিল হতে পারে না- বিরোধীতার ভূমিকা ছাড়া।  তাদের আসন সমাঝোতার এই মিল অল্পদিন টিকলেও; মনে হচ্ছ বেশি দিন টিকবে না।
আমরা যদি পিছনে তাকাই; বুঝতে পারবো- বিএনপি-জামায়াত জোট যতদিন ছিল, ততদিন তা ভালোভাবেই কার্যকর ছিল। খালেদা জিয়া জোটনেতাদের মঞ্চে দাঁড়িয়ে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চেয়েছেন, নিজামী-মুজাহিদরা বিএনপির মঞ্চে উঠে ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন। এভাবেই একটা জোট কার্যকর হয়। কিন্তু আইএবি-জামায়াত এবং এনসিপির মধ্যে এমন কার্যকারি তেমন একটা দেখা যায় না। হাতপাখার আসনে দাঁড়িপাল্লা ঠিকঠাকভাবে দাঁড়াতে পারবে! কিংবা দাঁড়িপাল্লার আসনে হাতপাখা দাঁড়াতে পারবে? দারুণ ভূমিকা পালন করবে কেউ?
এগারোদলীয় জোট দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে উঠতে যদি নির্বাচনী হাওয়াই শেষ হয়ে যায়,

এবং বিএনপি বিপুল ব্যবধানে জিতে যাবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com