কক্সবাজারএর টেকনাফ থানাধীন হোয়াইক্যং এর চাঞ্চল্যকর সৈয়দ মিয়া হত্যা মামলার ঘটনার সাথে জড়িত ০২জন আসামী গ্রেফতার এবং আসামীদ্বয়ের বিজ্ঞ আদালতে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান ও হত্যার মূল রহস্য উম্মোচন প্রসঙ্গে। কক্সবাজার জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার, জনাব এ.এন.এম সাজেদুর রহমান মহোদয় এর নির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) জনাব মোহাম্মদ সামীম কবির, কক্সবাজারের তত্ত্ববধানে এবং অফিসার ইনচার্জ, জনাব সাইফুল ইসলাম, টেকনাফ মডেল থানা, কক্সবাজারের সার্বিক তদারকিতে টেকনাফ থানাধীন হোয়াইক্যং এর চাঞ্চল্যকর সৈয়দ মিয়া হত্যা মামলার ঘটনায় রুজুকৃত টেকনাফ থানার এফআইআর নং-৩১, তারিখ- ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫; জিআর নং-৯০৮, ধারা- ৩৬৫/৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড এর এজাহারনামীয় আসামী আরফাত (২২), পিতা-আব্দুল নুর-স্থায়ী: সাং কেরুনতলী, চাকমারকুল, ০১নং ওয়ার্ড, হোয়াইক্যং ইউপি), উপজেলা/থানা- টেকনাফ, জেলা -কক্সবাজারকে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির তদন্তকারী অফিসার এসআই/খোকন কান্তি রুদ্র এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ কক্সবাজারকে গত ০৩/০১/২০২৬খ্রিঃ তারিখ কক্সবাজার সদর মডেল থানাধীন ননীয়ারছড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে উক্ত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করলে গ্রেফতারকৃত আসামী আরফাত বিজ্ঞ আদালতে স্বেচ্ছায় ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নিজের দোষ স্বীকারসহ হত্যাকান্ডে জড়িত তার অপরাপর সহযোগী আসামী হিসেবে মোঃ ইসমাইল (২৯) সহ আরো অন্যান্য আসামীদের নাম প্রকাশ করে। আসামী আরফাত এর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ইং ০৪/০১/২০২৬ তারিখ তদন্তকারী অফিসার এসআই/খোকন কান্তি রুদ্র এর নেতৃত্বে টেকনাফ থানার ০১টি চৌকস পুলিশ দল টেকনাফ থানাধীন হোয়াইক্যং এলাকা হতে মোঃ ইসমাইল (২৯), পিতা- মোঃ আবু তাহের প্রকাশ ভটভটি মনু, মাতা- আয়েশা খাতুন, স্ত্রী-আনোয়ারা বেগম, সাং-ঘোনার পাড়া, ০৭নং ওয়ার্ড, পালংখালী ইউপি, থানা- টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজারকে গ্রেফতার করে মামলার বিষয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে উক্ত আসামীকে অদ্য ০৫/০১/২০২৬খ্রিঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করলে সে লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের ঘটনার বিষয়ে বর্ণনা দিয়ে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক নিজেকে জড়িয়ে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে। উক্ত আসামী ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানায় যে, অত্র মামলার এজাহারনামীয় আসামী নিশান এর সহিত ভিকটিম সৈয়দ মিয়া এর ইয়াবা লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলিতেছিলো। উক্ত বিরোধের কারণে নিশান, আরফাত, তারেক ও ইসমাইল সহ আরো ২/১ জন মিলে গত ০৫/১২/২০২৫খ্রিঃ তারিখ রাত ১০:৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম সৈয়দ মিয়াকে নোহা গাড়ী যোগে কক্সবাজার সদর হতে পালংখালী নিশানের বাড়ীতে নিয়ে যায়। আসামীরা সেখানে নিয়ে ভিকটিমকে মুখে কস্টেপ পেছিয়ে, হাত-পা বেধে শ্বাসরোধ করে ভিকটিম এর মৃত্যু নিশ্চিত করে। ভিকটিম এর মৃত্যুর পরে রাতের আধারে আসামীগণ পালংখালী টেকনাফ থানাধীন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চাকমারকুল পালংখালী খালের পাড়ে জোবায়ের এর জমির পার্শ্বে খালের পাড়ে বাঁশ ঝাড়ে গর্ত খুরে মাটি চাপা দেয়। আসামীদ্বয়কে বিজ্ঞ আদালত জেল হাজতে প্রেরণ করেন। পুলিশের অভিযানে বর্ণিত চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটিত হওয়ায় এলাকায় জনমনে স্বস্তি আসে। মামলার ভিকটিম পক্ষ পুলিশকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ঘটনার বিষয়ে জড়িত অপারপর আসামী গ্রেফতার ও হত্যার ঘটনায় ব্যাবহৃত গাড়ী উদ্ধারের নিমিত্তে অভিযান অব্যাহত আছে। ধন্যবাদান্তে অফিসার ইনচার্জ টেকনাফ মডেল থানা, কক্সবাজার।