1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

ভারতেই খেলতে হবে এমন কোনো নির্দেশ আইসিসি দেয়নি: বিসিবি সভাপতি

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন বিশ্বকাপে অংশ নিতে হলে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অবশ্যই ভারতে যেতে হবে—আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) পক্ষ থেকে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা বা নির্দেশ দেওয়া হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনক্রিকইনফোর প্রকাশিত প্রতিবেদনটিকে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে দাবি করেন।

বিসিবি সভাপতি জানান, আইসিসি কখনোই বলেনি যে ভারতে না গেলে পয়েন্ট কর্তন করা হবে কিংবা বাংলাদেশকে ওয়াকওভার দিতে হবে। ব্যক্তিগত পর্যায়ে আইসিসির একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন যে, বিষয়টি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

মূলত মধ্যরাতে ক্রিকইনফোর একটি প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, আইসিসি বাংলাদেশের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং বিশ্বকাপ খেলতে হলে ভারতকে ভেন্যু হিসেবে মেনে নিতেই হবে।

এই খবরের সত্যতা যাচাই করতে বিসিবির একাধিক পরিচালক ও সিইওর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা জানান যে, এ ধরনের কোনো বার্তা আইসিসির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আসেনি। বিসিবি সভাপতি বুলবুল দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, ‘আইসিসি আমাদের কাছে জানতে চেয়েছে আমরা কেন ভারতে যাব না। আমরা আমাদের ইমেইলে আগেই উল্লেখ করেছি যে আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আছে। গতকাল রাতেও আইসিসি আমাদের কাছে সেই নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের একটি পূর্ণাঙ্গ বিবরণ চেয়েছে।’

বিসিবি সভাপতি আরও পরিষ্কার করেন যে, ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা কেন নিরাপদ নন এবং বোর্ডের উদ্বেগের সুনির্দিষ্ট কারণগুলো কী কী, তার একটি বিস্তারিত ব্যাখ্যা আইসিসির কাছে খুব শিগগিরই পাঠানো হবে। সেই ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করেই আইসিসি তাদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এর আগে হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার খবরটি কেবল গুজব।

বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের প্রথম অগ্রাধিকার এবং ভারতের বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্রিকেট খেলার পরিবেশ নিয়ে তারা এখনো চিন্তিত। আইসিসির সঙ্গে আলোচনা চলমান থাকায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আগে কোনো ধরণের বিভ্রান্তিকর খবরে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিসিবি।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com