1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২২ আসামী গ্রেফতার জামালপুরে জামিন নিতে এসে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ আ’লীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে কুমিল্লার হোমনায় গৃহবধূকে গণধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল জনতা: ধর্ষণকারিদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

বিরোধীদলের নেতারা শেখ হাসিনার উন্নয়ন চোখে দেখতে পাননা-সিটি মেয়র আঃ খালেক

জিসান কবিরাজ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪
  • ৮৯২ বার পড়া হয়েছে
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও খুলনা সিটি করপোরেশন মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, দেশের শিক্ষাঙ্গনে কোন ভূমিকা নেই বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের। তাদের সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বেতন ভাতা দেয়া হতো সীমিত। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করার উপযোগী কোন ভবন ছিলনা। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে শিক্ষকদের বেতন ভাতা বাড়িয়েছে। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে সুউচ্চ ভবন করে দিয়েছে। ছেলেমেয়েদের শারিরীক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা প্রয়োজন, এই প্রয়োজনকে মাথায় রেখে শেখ হাসিনা প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেলাধুলার উপযোগী একটি করে মাঠ উপহার দিয়েছেন। খেলাধুলা শিক্ষার একটি অংশ, ছেলেমেয়েদের শারিরীক ও মানসিক বিকাশে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার বিকল্প নেই। ছেলেমেয়েদের শরীর ও মন সুস্থ রাখতে বেশি বেশি খেলাধুলার আয়োজন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন যে, রামপাল উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল একসময়ে জরাজীর্ণ। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করার মতো পরিবেশ ছিলনা। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে সারাদেশের মতো রামপাল উপজেলার প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজের ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। শেখ হাসিনা শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেনি, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দিচ্ছে। দেশে খেলাধুলার প্রসার ঘটাতে প্রতি বছর প্রাথমিক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। এতে দেশের গ্রামীণ পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড় তৈরি হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার এত উন্নয়ন করার পরেও বিরোধীরা দেশের উন্নয়ন নিয়ে সমালোচনা করে। আসলে বিরোধীদের চোখ থাকলেও তারা অন্ধ। তারা শেখ হাসিনার উন্নয়ন চোখে দেখতে পাননা। বিরোধী দলের নেতারা আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করতে বাড়ি থেকে যে রাস্তায় বের হয়, সে রাস্তাটাও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের করা।
তিনি আরও বলেন যে, সুন্দরবনের কোলঘেঁষা বাগেরহাট-৩(রামপাল-মোংলা) আসনটি। এ আসনে বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের সময়ে ছিল সন্ত্রাসীদের দখলে। এ অঞ্চলের মানুষের প্রধান আয়ের উৎস মৎস্য ঘের। সাধারণ মানুষের মৎস্য ঘের বিএনপি জামায়াতের নেতা-কর্মীরা দখল করে নিত। সাধারণ মানুষ তাদের জমির হারীর টাকা চাইতে গেলে নৃশংসভাবে হত্যা করতো। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে সাধারণ মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পেয়েছে। এখন এ অঞ্চলের মানুষ সুখে শান্তিতে জীবনযাপন করছে।
সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১.০০ টায় বাগেরহাটের রামপালে সুন্দরবন মহিলা কলেজের ২৮ তম বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর সমাপনী দিনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।
সুন্দরবন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ খালিদ আহমেদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর হারুনর রশীদ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি ডিসিপ্লিন বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর সামিউল হক, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোল্লা আঃ রউফ,  রামপাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুকান্ত কুমার পাল, প্রাক্তন অধ্যক্ষ মোতাহার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুল মান্নান, জেলা পরিষদ সদস্য শেখ মনির আহমেদ প্রিন্স, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ বজলুর রহমান, আরাফাত হোসেন কচি, জালাল উদ্দীন দুলাল, জুলফিকার আলি ভুট্টো ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ হাফিজুর রহমানসহ কলেজের সকল শিক্ষক, শিক্ষিকা, অভিভাবকবৃন্দ, শিক্ষার্থীরা ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com