1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বার আউলিয়া ডিগ্রী কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে বোর্ডের ‘বিদ্যোৎসাহী সদস্য’ মনোনীত হলেন বিএনপি নেতা সালাহ্উদ্দিন সোহেল। চরম্বা শ্রী শ্রী লক্ষ্মী জনার্দ্দন মন্দিরে মহতী ধর্ম সম্মেলন মোংলায় ৪৮তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের নবনিযুক্ত চিকিৎসক ডা. গোলাম রাব্বি প্রিন্সের যোগদান ‎গৌরনদীতে ইফতার শেষে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসী হামলা: কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত ২ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ব্যাবসায়িকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ যুবদলের নেতার বিরুদ্ধে মালিকের টাকা ব্যাংকে জমা না দেয়ায় গ্রেপ্তার-১: উদ্ধার ২১ লাখ টাকা বগুড়ায় পাবলিক জেনারেল হাসপাতালে ভূল চিকিৎসায় শিশু ইয়াহিযার মৃত্যু কুড়িগ্রামে যে ব্রীজে নজর নেই প্রশাসনের, ভোগান্তিতে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ ঈদের পূর্বে বেসরকারী জুট মিলের শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ সহ ৭ দফা দাবিতে স্মারকলিপি পত্নীতলায় ‘বিনা লাভের বাজারে’ উপচে পড়া ভিড়, নিত্যপণ্যে মিলছে বিশাল ছাড়

সোনাতলায় সাত মাসে ৫৪টি ট্রান্সফর্মার চুরি

ওমর ফারুক খান বাইতুল
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে
বগুড়ার সোনাতলায় গত সাত মাসে ৫৪টি ট্রান্সফর্মার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে চুরি যাওয়া এলাকা ও আশপাশের এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা রয়েছে আতঙ্কের মধ্যে। বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ সোনাতলা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সাইফুল আহম্মদ জানান, সোনাতলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গত জুলাই মাস থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত বাণিজ্যিক, আবাসিক ও পানি সেচ কাজে ব্যবহৃত মোট ৫৪টি ট্রান্সফর্মার চুরি করে নিয়ে গেছে সংঘবদ্ধ চোরেরা।এতে প্রায় ২৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সোনাতলা থানায় এ ব্যাপারে অভিযোগ করা হয়েছে।
চুরি ঘটনার সাথে জড়িতদের কাউকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠালেও কিছু দিন পর সে জেলহাজত থেকে জামিনে ছাড়া পায়। ফলে চুরি থামছে না।বিদ্যুৎ গ্রাহকরা রয়েছে আতঙ্কের মধ্যে।এতে  গ্রাহকরা মনে করেন বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার চুরি ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে তাদের উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত। ডিজিএম আরো জানান আবাসিকে ব্যবহৃত কারো ট্রান্সফর্মার প্রথম বারের মতো চুরি হয়ে গেলে সেক্ষেত্রে ঐ গ্রাহককে ট্রান্সফর্মার বাবদ শতকরা ৫০ ভাগ টাকা বিদ্যুৎ অফিসে জমা দিতে হবে। বাকি শতকরা ৫০ ভাগ টাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিজস্ব তহবিল থেকে (সরকরি অর্থ না থাকলে) প্রদান করে ক্ষতিগ্রস্ত আবাসিকের মালিককে নতুন একটি ট্রান্সফর্মার দেয়া হয়ে থাকে।
একই ব্যক্তির দ্বিতীয় বার চুরি হলে সে ক্ষেত্রে গ্রাহককে সমস্ত টাকা বিদ্যুৎ অফিসে পরিশোধ সাপেক্ষে নতুন ট্রান্সফর্মার পাবে। আর পানি সেচের মটর চালানোর জন্য মটরমালিককে ফ্রি ট্রান্সফর্মার প্রদান করে থাকে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস। ওই ট্রান্সফর্মার চুরি হলে সেক্ষেত্রে মোটর মালিককে বিদ্যুৎ অফিসে সম্পূর্ণ টাকা প্রদান সাপেক্ষে নতুন ট্রান্সফর্মার কিনে নিতে হবে। এভাবে যতবার চুরি হবে ওই গ্রাহককে ততবার অফিস থেকে টাকার বিনিময়ে তা কিনতে হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com