1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পটুয়াখালীতে পুকুরে ধরা পড়ল ২৭ কেজির দুই কোরাল নীলফামারীতে দুই সন্তানের জননী প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসে পুলিশ সদস্য আটক সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত ২ জেলে উদ্ধার, অস্ত্রসহ এক বনদস্যু আটক দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত প্রবাসীর স্ত্রী, ‘মরে যাওয়ার ভান’ করে বাঁচল শিশু আবির হরমুজ প্রণালিতে ইরানের শক্তি ‘মশা নৌবহর’ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ এ প্লাস নিশ্চিত করতে হবে- আব্দুল মুনতাকিম এমপি কুড়িগ্রামে বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না তেল, খালি হাতে ফিরছেন বাইকাররা বরিশালে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড়, দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় কাঠালিয়া উপজেলা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ডিজেল সংকটে কুয়াকাটার হোটেলগুলোতে জেনারেটর সেবা ব্যাহত, ভোগান্তিতে পর্যটক

ময়মনসিংহের ভালুকায় বাকপ্রতিবন্ধি গৃহবধু কে যৌতুকের জন্য পাশবিক নির্যাতন

মোঃ আল আমীন খান 
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৭৪ বার পড়া হয়েছে
 
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বগাজান গ্রামে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হন বাকপ্রতিবন্ধি সুরাইয়া বেগম। পারিবারিক ভাবে তিন বছর আগে বিয়ে হয়,একই গ্রামের রহুল ফকিরের ছেলে মোঃ মোশাররফ হোসেনের সাথে। আগে থেকেই মোশাররফ  বিবাহিত ছিলো।আগের সংসসারে দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর হতেই মোশাররফ হোসেন ও তার আগের সংসারের ছেলে শামীম  মিয়া ও বাবা সাথে মিলে প্রতিবন্ধি সুরাইয়া উপর যৌতুকের জন্য পাশবিক নির্যাতন করতে থাকে থাকে।
অসহায় বাবা মা সুরাইয়ার সুখের জন্য কিছু দিন  পর পর টাকা দেয়,টাকা দেওয়া বন্ধ হলে   যৌতুকের জন্য অত্যাচার চলতে থাকে।
গত ০১ মার্চ ২৬ ইং রবিবার সুরাইয়ার স্বামী ও সৎ ছেলে মিলে বাকপ্রতিবন্ধি সুরাইয়া উপর মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করতে থাকে। 
আশেপাসের লোক জন সুরাইয়াকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।
বাকপ্রতিবন্ধি সুরাইয়া এখন হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে।এই ঘটনায় সুরাইয়ার বড় ভাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।এলাকা বাসী এই ঘটনায় প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠ বিচার দাবি করেছেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com