1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

কারও থেকে ৪০ লাখ, কারও থেকে ১৭, কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা আটক

Desk report
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য মাহি চৌধুরী অর্ণবকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে ভুক্তভোগীরা। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে সংগঠন থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

জানা গেছে, গত শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তর ইব্রাহিমপুর এলাকা থেকে ভুক্তভোগীরা কৌশলে মাহিকে আটক করেন। অভিযুক্ত মাহি নিজেকে বড় মাপের ক্যাটফুট ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং রাজধানীজুড়ে তার ২০ থেকে ২২টি দোকান রয়েছে বলে দাবি করতেন। এই ব্যবসার প্রলোভন দেখিয়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ হিসেবে গ্রহণ করেন। পরে ভু্ক্তভোগী ব্যক্তিরা মাহিকে আটক করে। এ সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

ওই ভিডিওতে ভুক্তভোগী আশিকুজ্জামান মোল্লা নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমরা মাহিকে আরও টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে আনি এবং পরে তাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করি।

হিমেল নামে এক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, ব্যবসার কথা বলে মাহি তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কিছু টাকা ফেরত দিলেও এখনো তার কাছে ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। একইভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীসহ আরও অনেকের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মাহির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মাহি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, মাহির বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীদের সহায়তায় পুলিশ তাকে আটক করে থানায় এনেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা প্রতারণার মামলা করছে। সেই মামলায় তাকে আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত আসামিকে জেলে পাঠায়।

এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী জানান, মাহির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংগঠন প্রায় এক মাস আগেই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছিল। বর্তমানে তাকে পদে বহাল রাখার কোনো সুযোগ নেই। যারা তার মাধ্যমে প্রতারণা বা চাঁদাবাজির শিকার হয়েছেন, তাদের আইনি পদক্ষেপে ছাত্রদল সব ধরনের সহায়তা দেবে।

ঢাবি ছাত্রদল সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মাহি চৌধুরী অর্ণবকে তার সকল সাংগঠনিক পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসাথে সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সাথে কোনো প্রকার সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com